বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ও শড়িষামুড়ি উইনিয়ন জুড়ে ডাকাত আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে এলাকাবাসী।
শুক্রবার রাতের এ ঘটনায় বিষখালী নদী থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে একাধিক ডাকাতি মামলার দুই আসামিকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশের বিশষ টিম।
হোসনাবাদ ও শড়িষামুড়ি উইনিয়নের স্থানীয় অধিবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ও শড়িষামুড়ি ইউনিয়নে কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে গণডাকাতির চেষ্টা চালায় সশস্ত্র ডাকাত দল। পরে এলকাবাসী ডাকাতদের উপস্থিতি টের পেলে তা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র।
ডাকাতদের প্রতিহত, গ্রেফতার এবং দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের সতর্ক করতে সচেতন মানুষ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করা হয়। এতে দুই উইনিয়নের সাধারণ বাসিন্দাদের সকর্ত অবস্থান টের পেয়ে ডাকাতরা এলাকায় আতংঙ্ক সৃষ্টি করে পালানোর জন্য বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।
অন্যদিকে ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে বেতাগী থানা পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় বরগুনার পুলিশের বিশেষ টিম। পরে দুই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি ডাকাতদের গ্রেফতারের জন্য স্থল ও নৌ-পথেও টহল জোরদার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, স্পিডবোটে টহলরত পুলিশ সদস্যরা অস্ত্রসহ নদী থেকে মিলন ও শাহিন নামের দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করে।
আটক ডাকাতদের বরাত দিয়ে ওসি আরো জানান, তারা ট্রলারে করে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্রসহ নয়জন সশস্ত্র ডাকাতকে শড়িষামুড়ি উইনিয়নের বিষখালী নদীর কালিকাবাড়ি এলাকায় নামিয়ে দেয়। তবে ওই নয় জন ডাকাতকে রতভর গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়েও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তিনি জানান, আটক ডাকাত শাহিন এবং মিলনের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায়। তাদের নামে একাধিক ডাকাতি মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে মামল রয়েছে। সম্প্রতি তারা একটি ডাকাতি মামলা থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছে বলেও জানান তিনি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সাইফুল ইসলাম মিরাজ/এফএ/এমএস