দেশজুড়ে

হুমায়ূন আহমেদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী, প্রস্তুতি চলছে নুহাশপল্লীতে

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল বুধবার। এ উপলক্ষে নুহাশপল্লীতে কুরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

নুহাশপল্লীর আশপাশের মাদরাসা ও এতিমখানার ছাত্র, পরিবারের সদস্য এবং হুমায়ূন আহমেদের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন লেখকসহ প্রায় ৬শ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে।

নুহাশপল্লীর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, বুধবার বাদ জোহর আশপাশের কয়েকটি মাদরাসা ও এতিমখানার ছাত্ররা নুহাশপল্লীতে কুরআন তেলাওয়াত করবেন। পরে তারা কবর জিয়ারত ও দোয়ায় অংশ নেবেন। ওইদিনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে হুমায়ূন আহমেদের দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিতসহ স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন বুধবার সকালে নুহাশপল্লীতে পৌঁছাবেন। এছাড়া কথাসাহিত্যিকের পরিবারের লোকজন, ভক্ত, বন্ধুরা কবর জিয়ারত ও মিলাদে যোগ দেবেন।

ইতোমধ্যে প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী নুহাশপল্লীতে আসছেন। বিশেষ করে হুমায়ূন ভক্ত তরুণ প্রজন্মের অনেক শিক্ষার্থী নুহাশপল্লীতে ভিড় করছেন। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকও আসছেন নুহাশপল্লীতে।

এবার নুহাশপল্লীর বৃষ্টি বিলাসের সামনেই হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীর আমন্ত্রণে অতিথিদের জন্য প্যান্ডেল নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে নুহাশপল্লীর সহকারী ব্যবস্থাপক পাপন খান বলেন, বুধবার দুপুরে ২শ এতিম শিশু কোরআন থেকে তেলাওয়াত করবেন।

ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বুলবুল বলেন, মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ৬শ লোকের আপ্যায়নের আয়োজন চলছে। এতিম শিশু ছাড়াও হিমু পরিবারের ৯০ জন হিমু, বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত অতিথি, এলাকার লোকজন ও হুমায়ূন স্যারের পরিবারের লোকজন থাকবেন।

বুধবার ভোরে হুমায়ূন স্যারের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও তার সন্তানরা নুহাশপল্লীতে আসবেন।

উল্লেখ্য, জনপ্রিয় এ লেখক ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি।

২০১২ সালের ১৯ জুলাই মারা যান তিনি। মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামে তার নিজ হাতে গড়া স্বপ্নের নুহাশপল্লীতে সমাহিত করা হয়।

আমিনুল ইসলাম/এমএএস/আরআইপি