দেশজুড়ে

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

পদ্মায় দ্রুত পানি কমতে থাকায় দেশের ব্যস্ততম শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের নাব্যতা সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে দক্ষিণাঞ্চলের কর্মস্থলমুখো যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

জানা যায়, গত দুদিনে ডুবোচরে আটকে ছিল ছোট-বড় ৬টি ফেরি। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে যাত্রীদের। এমতাবস্থায় এই নৌরুটের ২০টি ফেরির মধ্যে ছোট পাঁচটি ফেরি ছাড়া বাকিগুলো বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

এর মধ্যে রাতেরবেলা চলছে মাত্র চারটি ফেরি। এছাড়া ফেরিগুলোতে ধারণক্ষমতারও অর্ধেক পরিবহন নিয়ে ঘাট ছাড়ছে। এ কারণে ঘাট এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা।

মঙ্গলবার ঘাট এলাকায় দুই শতাধিক যান আটকে পড়ে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন এ অঞ্চলের যাত্রীরা। সেই সঙ্গে ক্ষোভ বেড়েছে তাদের।

জানা গেছে, পদ্মা নদীর ডুবোচরে ফেরি চলাচলে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে দেখা দিয়েছে অচলাবস্থা।

ফলে ঈদ শেষে রাজধানীগামী যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। তবে বিকল্প পথ হিসেবে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে নৌপরিহন কর্তৃপক্ষ। তবে যাত্রীদের প্রশ্ন, সারা বছর ড্রেজিং করলেও কেন কাটছে না নাব্যতা সঙ্কট।

বিআইডব্লিউটিএ কাঁঠালবাড়ী ফেরি ঘাটের ম্যানেজার মো. ছালাম হোসেন বলেন, নাব্যতা সঙ্কটের কারণে রো রো ফেরি সকাল থেকেই চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কোনোভাবেই রো রো ফেরি চলাচল করতে পারছে না। তাই কর্তৃপক্ষ চারটি রো রো ফেরির চলাচল বন্ধ রাখছে।

তিনি আরও বলেন, মাঝে মাঝে ছোট ছোট ফেরি চলাচল করতে পারছে। আমরা চেষ্টা করছি ভিআইপি ও ছোট গাড়িগুলো পারাপার করতে। তবে বড় গাড়িগুলোকে বিকল্প পথে অর্থাৎ দৌলতদিয়া দিয়ে পারাপারে আমরা অনুরোধ করছি।

এ কে এম নাসিরুল হক/এএম/এমএস