অবশেষে দীর্ঘ ১৫ বছর পরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে সমাবর্তনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থীর প্রাণের দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিাবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিমিয়কালে এ তথ্য জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ৩০ মিনিটের বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। সমাবর্তনের ব্যাপারে আলোচনা করলে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মৌখিকভাবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সমাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেন। সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ নিজে উপস্থিত থাকার কথাও জানিয়েছেন।
রাষ্টপতির সঙ্গে সাক্ষাতকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ।
চতুর্থ সমাবর্তনে মোট ৩৮ হাজার ৪৯০ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে একাডেমিক ডিগ্রি প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ।
সমাবর্তন উপলক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন আঙ্গিকে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করে তোলার আশা ব্যক্ত করেন। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধিসহ সমাবর্তনের বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পর ১৯৯৩ সালের ২৭ এপ্রিল প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় । পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালর ৫ ডিসেম্বর দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় এবং সর্বশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০০২ সালের ২৮ মার্চ।
ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ/আরএআর/আইআই