পৃথক দুইটি বাল্যবিয়ের হাত হতে রক্ষা পেয়েছে পঞ্চম শ্রেণি ও দশম শ্রেণির দুই ছাত্রী। শনিবার ভোরে ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের আটঘরিয়া গ্রামের ময়দারপাড়ায় আইনুল হক তার পঞ্চম শ্রেণির মেয়ে নিলুফা আক্তারের বিয়ে দিচ্ছেলেন।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাজমুন নাহার ঘটনাস্থলে গেলে বরযাত্রী পালিয়ে যায়। এ সময় মেয়ের বাবা ভুল বুঝতে পেরে মুচলেকা দিয়ে মেয়ের বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্র্যাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। ছাত্রীর বাবা বাল্যবিয়ে দেবেন না মর্মে সবার উপস্থিতিতে অঙ্গীকার নামা লিখে দেন। তিনি আরও বলেন, ডিমলা উপজেলা বাল্যবিয়ে মুক্ত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে প্রশাসন।
এদিকে, শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা সদর উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের মনষাপাড়া গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান তার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে রিমা আক্তারের জোরপূর্বক বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন।
বরযাত্রী এলে মেয়েটি এর প্রতিবাদ করে। পরে তার এক বান্ধবীর সহায়তায় রিমা নীলফামারী থানা পুলিশের ওসি বাবুল আকতারকে মোবাইল করে বিষয়টি জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বরযাত্রী পালিয়ে যায়।
এ সময় মেয়ের বাবা ক্ষমা চেয়ে তার মেয়ের বাল্যবিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন। এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন থানা পুলিশের ওসি বাবুর আকতার।
জাহেদুল ইসলাম/এএম/জেআইএম