মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় খালেদা জিয়ার গাড়ি বহর আটকে দেয়ার চেষ্টা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ। রাস্তায় ট্রাক, গাড়ি আটকে দিয়ে এবং ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহি বাস ভাঙচুর করে চেষ্টা চালায় স্থানীয় আ.লীগের কর্মীরা।
শনিবার বেলা ১২টার দিকে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গাড়ি অবরোধ করে আটকে রাখার চেষ্টা চালায়। এসময় ৩০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ থাকে।
এদিকে, মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের দেখতে সকালে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সকাল ১০টা ৪০মিনিটের দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে খালেদা জিয়া কক্সবাজারের উদ্দেশে সড়কপথে রওনা হন।
জেলা যুবলীগের সভাপতি আতারুজ্জামান রাজীব জানান, যুবলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান করছে যানজট নিরোসন করতে। যানবাহন চলাচলে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে এজন্য তারা সেখানে অবস্থান করছে। আমাদের পক্ষ থেকে কোনো ভাঙচুর বা অবরোধের চেষ্টা চালানো হয়নি।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল মৃধা জানান, ছাত্রলীগ মহাসড়কে অবস্থান করেছিল যানজট মোকাবেলায় সহায়তা করতে। বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তার দুই পাশে অবস্থান করায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। যাত্রীদের যাতে ভোগান্তি না হয় এজন্য অবস্থান নেয়া হয়েছিল।
মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই জানান, খালেদা জিয়ার গাড়ি বহর যাওয়ার আগেই নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিয়েছিলাম। এসময় বেলা পৌনে ১২টা থেকে ১২টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গাড়ি অবরোধ করে আটকে রাখার চেষ্টা চালায়। এসময় আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। এসময় তারা যাত্রীবাহি একটি বাস ভাঙচুর করে বাধা প্রদান করে।
পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম পিপিএম জানান, অবরোধের কোনো ঘটনা ঘটেনি। কমিউনিটি পুলিশের আয়োজনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছিল। এসময় তারা দলীয় স্লোগান দেয়। মহাসড়কের পাশেই হাইওয়ে থানায় কমিউনিটি পুলিশের এই আয়োজন করা হয়।
ভবতোষ চৌধুরী নুপুর/এমএএস/জেআইএম