বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুরা ট্রলারের ইঞ্জিন, মাছ ধরার জাল, আহরিত মাছ, মেশিনের তেল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি লুট করে নিয়ে গেছে। এসময় তাদের প্রহারে অন্তত ১৫ মাঝি-মাল্লা আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলার মালিকরা।
ডাকাতির শিকার বোটগুলো হলো, কক্সবাজার শহরের আবু সুলতান নাগু কোম্পানির মালিকানাধীন এফবি ছেনোয়ারা, নুরুল আবছার কোম্পানির মালিকানাধীন এফবি আতিক, ফারুক কোম্পানির মালিকানাধীন এফবি ফাতেমা ও জালাল কোম্পানির মালিকানাধীন এফবি সোহাইমা।
ক্ষতিগ্রস্ত বোট মালিকরা মাঝি মাল্লাদের বরাত দিয়ে বলেন, ২২ অক্টোবর নিষেধাজ্ঞা উঠার পর ২৩ অক্টোবর দাদনের টাকায় প্রয়োজনীয় মালামাল দিয়ে ট্রলারগুলো সাগরে পাঠানো হয়। গত ৫দিনে প্রায় প্রতিটি ট্রলার আশানরূপ মাছ আহরণ করতে সক্ষম হয়। ২৮ ও ২৯ অক্টোবর মাছ ভর্তি ট্রলারগুলো ফেরার পথে জলদস্যুর কবলে পড়ে। এসময় দস্যুরা ট্রলারের ইঞ্জিন, জাল, আহরণকৃত মাছ, তেল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি লুট করে নিয়ে যায়।
পরে অন্য ট্রলারের সহযোগিতায় তারা তিরে ফিরেন বলে জানান জেলেরা। আহতদের একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
জলদস্যুদের কবল থেকে ফিরে আসা আবদু শুক্কুর, আবুল বশর, নেজাম ও চানমিয়াসহ একাধিক জেলে জানায়, ডাকাতদের কথায় বুঝা গেছে তারা সোনাদিয়া, কুতুবজোম কুতুবদিয়া ও বাঁশখালী এলাকার হবেন।
কক্সবাজার ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসাইন বলেন, নিষেধাজ্ঞার পর অধিকাংশ ট্রলার মালিক লোন নিয়ে ফিশিংবোট সাগরে পাঠিয়েছি। অথচ জেলেদের উপর হামলা করে তারা সব লুটে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতের তালিকাভূক্ত ডাকাতদের আটক করলে সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।
সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/জেআইএম