যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বীরপ্রতীক আবদুল জলিল ওরফে রকেট জলিল (৭৪) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পাল্লা গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি ও হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, চার মেয়ে ও তিন স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রকেট জলিলের জামাই তরিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বাদ আসর পাল্লা মাদরাসা মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
ঝিকরগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ করিম বলেন, বিকেল ৪টায় পাল্লা মাদরাসা মাঠে বীরপ্রতীক আবদুল জলিলকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে।
১৯৪৩ সালে ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাল্লা গ্রামে বীরপ্রতীক আবদুল জলিল জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি মুজাহিদ কোম্পানিতে যোগ দেন। ১৯৬৮ সালে ইপিআরে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালে ৮ নম্বর সেক্টরে মেজর আবু মঞ্জুরের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। রণাঙ্গনে তিনি রকেট জলিল হিসেবে পরিচিতি পান। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৬ সালে আবদুল জলিলকে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।
মিলন রহমান/আরএআর/এমএস