দেশজুড়ে

পুলিশকে মেরে হ্যান্ডকাপসহ ভারতে পালিয়েছে আসামি

কুমিল্লায় পুলিশকে মারধর ও হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ ভারতে পালিয়েছে পিচ্চি জাফর নামের এক মাদক মামলার আসামি। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত করেছে। সোমবার সন্ধ্যার দিকে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের মতিয়াতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার সময় আত্মরক্ষায় পুলিশ দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। এদিকে পুলিশ কর্তৃক বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ড অতিক্রম করার অভিযোগে মঙ্গলবার বিএসএফ পতাকা বৈঠকের আহ্বান করেছে বলে বিজিবির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ, বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই হারুনুর রশিদ, এসআই মেজবাহ ও এসআই মনিরুল ইসলামসহ একদল পুলিশ ভারত সীমান্তবর্তী উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের মতিয়াতলী এলাকায় পিচ্চি জাফরকে গ্রেফতার করে। এ সময় স্থানীয় সংঘবদ্ধ মাদক সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যরা আসামি জাফরকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে পুলিশ আত্মরক্ষায় দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। ঘটনার আকস্মিকতার এক পর্যায়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামি জাফর দৌঁড়ে ভারতে প্রবেশ করে চিৎকার করতে থাকে। এতে উভয় দেশের কয়েকশ বাসিন্দা সীমান্তে জড়ো হয়ে যায়।

খবর পেয়ে বিজিবি-বিএসএফ ঘটনাস্থলে যায়। এদিকে আসামি ধাওয়া করে নোম্যান্সল্যান্ড অতিক্রম করার অভিযোগে বিএসএফ মঙ্গলবার সকালে চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে পতাকা বৈঠক আহ্বান করেছে। এ বিষয়ে সোমবার রাত ১১টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চৌদ্দগ্রাম থানার তিন এসআই মাদক মামলার আসামি পিচ্চি জাফরকে আটক করতে গেলে ঘটনাস্থলে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। এতে পুলিশ দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। এসময় আসামি জাফর পালিয়ে ভারতে চলে যায়।

কুমিল্লাস্থ ১০-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম সারোয়ার জানান, চৌদ্দগ্রামের সীমান্ত এলাকায় পুলিশের সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় নোম্যান্সল্যান্ড অতিক্রমের অভিযোগে বিএসএফ পতাকা বৈঠকের আহ্বান করেছে।

জেডএ