দেশজুড়ে

‘জাতিসংঘে বাংলা চাই’ পঞ্চগড়ে ভোট প্রদান প্রচারণা

‘বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের ৭ম দাপ্তরিক ভাষা করা হোক’ এই দাবির সমর্থনে পঞ্চগড়ে অনলাইনে ভোট প্রদানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে পঞ্চগড় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রাণ এর সহযোগিতায় জাগোনিউজ২৪.কম এই কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

র‌্যালি শেষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. দেলওয়ার হোসেন প্রধান দাবির সমর্থনে অনলাইনে নিজের ভোট দিয়ে ভোট প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জাগোনিউজ২৪.কম এর পঞ্চগড় প্রতিনিধি সফিকুল আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার একমাত্র খবরের কাগজ ‘পঞ্চবার্তা’র সম্পাদক আলমগীর জলীল তালুকদার, ময়দানদীঘি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক কুদরত ই খোদা মুন এবং পঞ্চগড় টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম বিশেষ অতিথি ছিলেন।

এতে এনটিভি ও ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, দৈনিক করতোয়ার সামসউদ্দিন চৌধুরি কালাম, সময় টিভির আব্দুর রহিম, বাংলাভিশনের মোশাররফ হোসেন, আরটিভির রাজিউর রহমান রাজু, ডিবিসি ও কালের কণ্ঠের লুৎফর রহমান, মানব জমিনের সাবিবুর রহমান সাবিব ও ভোরের দর্পনের গোফরান বিপ্লব বক্তব্য রাখেন। র্যালি ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. দেলওয়ার হোসেন প্রধান বলেন, ‘বিশ্বে ভাষার জন্য প্রাণ দেয়ার ঘটনা নেই। আমাদের প্রিয় বাংলা ভাষাকে এক সময় রাষ্ট্র ভাষা করার দাবিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার তাদের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন, শহীদ হয়েছে। ১৯৫২ সালে দেশে মাতৃভাষা বাংলার দাবি আদায় হয়েছে। পরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু ১৯ বছরেও বাংলা ভাষা জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে মর্যাদা পায়নি। তাই বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের ৭ম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি। তিনি এই দাবির সমর্থনে অনলাইনে ভোট প্রদানের এমন অনুষ্ঠানের জন্য জাগোনিউজ২৪.কম পরিবারকে ধন্যবাদ জানান। এ নিয়ে তিনি তার কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝেও প্রচারণা চালাবেন বলে জানান প্রধান অতিথি মো. দেলওয়ার হোসেন প্রধান।

সফিকুল আলম/এমএএস/এমএস