লক্ষ্মীপুরে এক মাদরাসাছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে দুলাল নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
প্রধান অভিযুক্ত মুকবুলকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। এর আগে সদর উপজেলার বশিকপুর গ্রামে ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়। রশিদপুর রহমানিয়া দাখিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত ২৭ মার্চ বিকালে ওই ছাত্রী তার বাড়ির পাশের ফসলি বাগানে পানি দিচ্ছিল। এ সময় একই এলাকার বখাটে মুকবুল তাকে জোরপূর্বক পাশের বাগানে নিয়ে যায়।
এ সময় মুকবুল ও তার সহযোগী দুলাল তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি কাউকে বললে তাকেসহ পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি দেয়।
ঘটনার তিনদিন পর শুক্রবার ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা চালায় মুকবুল। এ সময় দৌড়ে বসতঘরে চলে আসলে তার বাবা ও ভাবির সামনে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ধর্ষক দুলালের সঙ্গে ছাত্রীকে বসিয়ে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে ধর্ষক মুকবুল।
পরে পূর্বের ঘটনাটি অভিভাবকদের কাছে জানায় ওই ছাত্রী। বিষয়টি স্থানীয়দের জানানোর পর বুধবার রাতে মুকবুল ও দুলালকে আসামি করে ছাত্রীর বাবা মামলা করেন।
অভিযুক্ত দুলাল বশিকপুর ইউনিয়নের বড় রশিদপুর গ্রামের দ্বীন ইসলামের ছেলে ও মুকবুল একই গ্রামের হাবিব উল্যার ছেলে। মুকুল বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জেহাদীর ঘনিষ্ঠ।
এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আ স ম মাহতাব উদ্দিন বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
কাজল কায়েস/এএম/পিআর