নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগে নাটোরের আল সান হাসপাতালের মালিক ও পরিচালক শফিউল আলম ওরফে বাবলুকে (৪২) আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় তাকে আটক করা হয়। এ সময় অশ্লীল ভিডিও জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে ধর্ষিতা এবং তার পরিবার থানায় অবস্থান করছে। এদিকে বাবলুকে ছাড়িয়ে নিয়ে একটি মহল জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছে।
পুলিশ ও নির্যাতিতার পরিবার জানায়, শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় দুলাভাইয়ের বাড়িতে থেকে বেসরকারি আল সান হাসপাতালে নার্সের চাকরি করতেন ধর্ষণের শিকার হওয়া মেয়েটি। সম্প্রতি হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় পরিচালক বাবলু তার নিজস্ব চেম্বারে ওই মেয়েটিকে জোর করে ধর্ষণের পর ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখে। পরে ব্ল্যাকমেইল করে একাধিকবার মেয়েটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে বাবলু। সম্মানের ভয়ে মেয়েটি এবং তার পরিবার কাউকে কিছু না জানিয়ে চুপচাপ থাকে। পরে আবারও বাবলু মেয়েটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে চাইলে রাজি হয় না মেয়েটি। পরে বাবলু নিজেই থানায় এসে মৌখিক অভিযোগ করেন মেয়েটি তাকে হয়রানির চেষ্টা করছে। কিন্তু মেয়েটি অশ্লীল ভিডিওসহ সব তথ্য-প্রমাণ পুলিশের কাছে উপস্থাপন করলে পুলিশ বাবলুকে আটক করে।
নির্যাতিতা নার্সের ভাই এই প্রতিবেদককে বলেন, মান সম্মানের ভয়ে আমরাকাউকে কিছু বলিনি। অশ্লীল ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে দিনের পর দিন আমার বোনকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিনি আরও বলেন, মামলা না করার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। তারপরও উপযুক্ত বিচারের জন্য আমরা মামলা দায়ের করব।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, নার্সকে ধর্ষণেরঅভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমরা কিছু আলমত পেয়েছি, সেগুলো যাচাই-বাছাই চলছে। বিস্তারিত পরে বলা যাবে। তবে থানায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।
ওআর/এমআরএম