সুন্দরবনে জবাই করা হরিণসহ দুই হরিণ শিকারী আটকের ঘটনায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সাত্তার মোড়লসহ তিনজনের নামে মামলা হয়েছে। এর আগে সোমবার ভোররাতে জবাইকৃত হরিণ, তিনটি দেশীয় বন্দুকসহ দুই শিকারীকে আটক করে পুলিশ।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুনকুড়ি নদীর শুকদিয়া খাল এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই শ্যামনগর থানা পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৩।
এ দিকে, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সাত্তার মোড়লের নামে হরিণ শিকার মামলার পর তাকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাতক্ষীরার সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্যরা। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাত্তার মোড়ল একজন চিহ্নিত চোরাকারবারী। তিনি হরিণ শিকার ও পাচারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে অবিলম্বে তাকে গ্রেফতার পূর্বক শাস্তির দাবি জানাই।
জবাইকৃত হরিণ, অস্ত্র উদ্ধার ও দুই হরিণ শিকারী আটকের ঘটনায় শ্যামনগর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, সোমবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে তিনটি দেশীয় অস্ত্র, জবাইকৃত হরিণসহ দুই শিকারীকে আটক করা হয়েছে। আটকরা হলেন, উপজেলার পাকাখালি গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে হাবিবুল্লাহ (৪০) ও কদমতলা গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে মঞ্জু আলী (৪০)। পরবর্তীতে তাদের স্বীকারোক্তি মতে জাপা নেতা আব্দুস সাত্তার মোড়লকেও আসামি করে শ্যামনগর থানায় বন সংরক্ষণ ও অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
আকরামুল ইসলাম/এমএএস/এমএস