দেশজুড়ে

ইব্রাহিমপুরে ফেরি বাড়লেও ভোগান্তি কমেনি

শরীয়তপুরের ইব্রাহিমপুর-চাঁদপুর হরিণাঘাট নৌরুটে দুটি ফেরির সঙ্গে কেতকী নামে আরও একটি ফেরি যোগ হলেও কমেনি যানবাহনের চাপ। শুক্রবার ভোর থেকে দীর্ঘ সিরিয়ালে রয়েছে ৩ শতাধিক ছোট বড় যানবাহন। যার বেশিরভাগই গরু বহনকারী ট্রাক।

এর আগে গতকাল করবী ও কুসুমকলি নামে দুইটি ফেরি থাকায় বিকেল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ শতাধিক ছোট বড় যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায় আটকে ছিল। পরে সন্ধ্যায় মাওয়া থেকে কেতকী নামে বড় ফেরিটি আনা হয়। এতে যানবাহনের চাপ কিছুটা কমে।

জানা যায়, ইব্রাহিমপুর-হরিণাঘাট রুটে ফেরি সঙ্কট লেগেই থাকে। বিশেষ করে ঈদের সময় এ দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন গরু ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার সকাল ১০টায় এ রিপোর্ট পর্যন্ত ইব্রাহিমপুর ঘাট এলাকায় তীব্র গরমে মারা গেছে ৮টি গরু। আর অসুস্থ হয়ে পড়েছে ঘাট এলাকায় অপেক্ষায় থাকা ট্রাকের অনেক গরু।

গরু নিয়ে আসা ট্রাকচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, খুলনা থেকে এসেছি গরু নিয়ে চট্টগ্রাম যাব। কিন্তু ফেরি সঙ্কট থাকার কারণে এই গরমের ভেতর গরুগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সঠিক সময় হাটে পৌঁছতে না পারলে ক্ষতি হয়ে যাবে।

ইব্রাহিমপুর ফেরি ঘাট এলাকার ব্যবসায়ী তবুল্লাহ্ জানান, ফেরি ঘাটে যানজট লেগেই থাকে। গত কয়েকদিনে ঘাটে অপেক্ষায় রয়েছে অনেক গরুর ট্রাক। অতিরিক্ত গরমে আটটি গরু মারা গেছে।

ঘাট সূত্রে জানা যায়, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে এ রুটে গরু বহনকারী ট্রাকের চাপ বেড়েছে। তাছাড়া ইব্রাহিমপুর-হরিণাঘাট নৌ-রুটে ফেরি সঙ্কট রয়েছে। ফলে সঠিক সময়ে যানবাহনগুলো পারাপার করা সম্ভব হচ্ছে না।

শরীয়তপুর ইব্রাহিমপুর ঘাটের বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার আব্দুস সাত্তার জানান, ইব্রাহিমপুর-হরিণাঘাটে মাত্র দুটি ফেরি ছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আরেকটি যোগ হয়েছে কিন্তু ঘাটের যানবাহনগুলো সঠিক সময় পারাপার করা যাচ্ছে না।

ছগির হোসেন/এফএ/পিআর