নিজেদের ক্ষেতে উৎপাদিত বিভিন্ন শাক-সবজি ও ফলমূল নিয়ে ঈশ্বরদীর সফল ও জাতীয় পদকপ্রাপ্ত কৃষকরা পাবনায় সদ্য যোগদানকারী পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম পিপিএম’র সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
সোমবার দুপুরে পুলিশ সুপারের সভা কক্ষে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) গৌতম কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোছা. শামীমা আক্তার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির ও সহকারী পুলিশ সুপার সালমা আলম।
কৃষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষক ছিদ্দিকুর রহমান কূল ময়েজ, বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি ঈশ্বরদী উপজেলা সভাপতি আবুল হাসেম, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষক জাহিদুল ইসলাম গাজর জাহিদ, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত কৃষক বেলী বেগম, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষক আশরাফ আলী খান ডুবুরি, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষক আলহাজ রবিউল ইসলাম, চ্যানেল আই পাবনা প্রতিনিধি আক্তারুজ্জামান, মৎস্য চাষি আবু তালেব জোয়াদ্দার, মো. আজগর মল্লিক, ইদ্রিস আলী, হাবিবুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, তোরাব জোয়াদ্দার, মহসিন আলী ও সাইদার হোসেন বাবুসহ ঈশ্বরদীর বিভিন্ন স্তরের কৃষকেরা।
বক্তারা বলেন, কৃষকের উৎপাদিত সকল পণ্যেই বর্তমানে লোকশান হচ্ছে। এরপর তা হাট-বাজারে বিক্রি করতে গেলে খাজনার নামে ইজারাদারের লোকেরা কৃষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন শতকরা দশ টাকা। এক দিনের একটি বাচ্চাসহ একটি গরু বিক্রি করলেও খাজনা দিতে হয় এক হাজার টাকা। কৃষি পণ্য বিক্রির পর কৃষকের কাছ থেকে খাজনা নেয়া সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধ থাকলেও ইজারাদারের লোকেরা বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে তাদের ইচ্ছে মতো অধিকমাত্রায় খাজনা আদায় করছেন।
আলাউদ্দিন আহমেদ/এমএএস/পিআর