পঞ্চগড়ে বাবা ও মাকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে মঞ্জুরুল হাসান শান্ত নামে মাদকাসক্ত ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আনিসুর রহমান এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোটেক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা বিজ্ঞ আদালতের কাছে আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চেয়েছিলাম। কিন্তু রায়ে যাবজ্জীবন সাজার কথা বলা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ, ২০১৫ সালে ২২ মার্চ জেলা শহরের পুরাতন ক্যাম্প এলাকায় মাদকাসক্ত যুবক মঞ্জুরুল হাসান শান্ত নেশার টাকা না পেয়ে বাবা মিজানুর রহমান ও মা সুলতানা বেগম রিনাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। প্রতিবেশি এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী তাদের কাছে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করে শান্ত। এ সময় খবর পেয়ে সদর থানার এসআই আরিফ হোসেন ও এএসআই এনামুল হক ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরকেও কুপিয়ে আহত করেন তিনি। অন্যদের এলোপাথারি কুপাতে গিয়ে মঞ্জুরুল হাসান নিজেও আহত হন। গুরুতর আহতাবস্থা পুলিশ তাকে আটক করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। ওই দিন নিহতদের বড় ছেলে ও শান্তর বড় ভাই আখতারুজ্জামান সাগর বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোটেক জাহাঙ্গীর আলম এবং আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম মামলাটি পরিচালনা করেন।
সফিকুল আলম/আরএ/পিআর