দেশজুড়ে

পুলিশ সদস্যের মাথা ফাটিয়ে ৯ কলেজছাত্র আটক

গাজীপুরে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের সামনে ছাত্রদের হামলায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন। আহত এএসআই মো. কামরুল ইসলামকে উত্তরায় বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

ভাওয়াল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন সৌরভ জানান, শনিবার বিকেলে কলেজ গেট স্ট্যান্ড থেকে শিক্ষার্থীরা বাসে উঠতে গেলে পরিবহন শ্রমিকরা তাদের বাসে ওঠায়নি। এতে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কলেজ গেট এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাস আটকাতে শুরু করে। এ নিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে কলেজ শিক্ষার্থীদের কথা কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

খবর পেয়ে কলেজ হোস্টেল থেকে শিক্ষার্থীরা লাঠি-সোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় বাসন থানার দুই পুলিশ সদস্য ওই পথে যাওয়ার সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে এক পুলিশের মাথায় লাঠির আঘাত লাগে। এতে তিনি আহত হন।

পরে পুলিশ কলেজের হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে রবিন সরদার, সাদেক, শিমুল, রাকিবসহ ৮-৯ জনকে আটক করে।

ভাওয়াল কলেজের অধ্যক্ষ জেরিনা সুলতানা বলেন, ওই সংঘর্ষের পর পুলিশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমাকে অবগত না করে কলেজ হোস্টেল ঘেরাও করে অভিযান চালায়। পরে সেখান থেকে ছাত্রলীগের ৯ নেতা-কর্মীকে আটক করে নিয়ে গেছে।

অভিযানের ব্যাপারে কেন জানানো হয়নি জানতে চাইলে পুলিশ অধ্যক্ষকে জানায়, হোস্টেলে মাদক-অস্ত্র রয়েছে এমন খবরের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়েছে। আর মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে অনুমতির প্রয়োজন হয় না।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান জানান, পরিবহন শ্রমিক ও ভাওয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে এএসআই কামরুল মাথায় জখম হন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ও পরে উত্তরার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে ওই ঘটনায় দুইজনকে আটকের কথা স্বীকার করেন তিনি।

আমিনুল ইসলাম/এফএ/এমএস