টাকার মালা গলায় পরে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এলেন দিনাজপুরের বিরল উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফিরোজা বেগম সোনা। তিনি বিরল উপজেলার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান।
এবারও নির্বাচনে লড়তে ফিরোজা বেগম সোনা সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি ছাড়াও দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫৫ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এছাড়া ১৩টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ১৩, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ১৮, বিএনপির ছয়, জাতীয় পার্টির ছয়, বিকল্প ধারা এক, ওয়ার্কার্স পার্টির এক ও স্বতন্ত্র তিনজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। দিনাজপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহামুদ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন- বীরগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম, কাহারোল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম ফারুক, বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার আলী, ফুলবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান মিলটন, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদ সরকার, চিরিরবন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আহসানুল হক মুকুল, হাকিমপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রামাণিক, বিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান পারভেজ কবির, ঘোড়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল রাফে খন্দকার শাহেন শাহ ও খানসামা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিউল আযম চৌধুরী।
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন- বীরগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুল ইসলাম চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বাবু দীনেশ চন্দ্র মহন্ত, কাহারোল উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুল মালেক সরকার, গোপেশ চন্দ্র রায়, মো. আরমান সরকার ও ডা. আব্দুল করিম, বোচাগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা বর্তমান চেয়ারম্যান ফরহাদ হাসান চৌধুরী ইগলু ও মো. জুলফিকার আলী ভুট্টো।
পাশাপাশি চিরিরবন্দর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা মো. হাফিজুর রহমান ও নিজামুল হাসান, হাকিমপুর উপজেলায় কৃষকলীগ নেতা সাবেক মেয়র কামাল হোসেন রাজ, পার্বতীপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আকতার হোসেন, বিরামপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খাইরুল আলম রাজু ও ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান, খানসামা উপজেলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হাতেম ও বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগের যোগ দেয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান শাহ ও ঘোড়াঘাট উপজেলায় আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শুভ রহমান চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দেন।
বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বীরগঞ্জে বিএনপি নেতা মো. রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু, কাহারোলে মো. মামুনুর রশীদ চৌধুরী, বিরলে আ ন ম বজলুর রশীদ, সদরে জেলা বিএপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন, মকবুল হোসেন ও বিরামপুরে বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মিয়া মনোনয়নপত্র জমা দেন।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন- বীরগঞ্জের জাপা নেতা আবুল মান্নান, বিরলে সূধীর চন্দ্র শীল, খানসামায় মোনাজাত উদ্দিন, পার্বতীপুরে কাজী আব্দুল গফুর, বোচাগঞ্জে জুলফিকার হোসেন ও নবাবগঞ্জে মো. ফিরোজ সুলতান আলম।
পাশাপাশি নবাবগঞ্জে বিকল্প ধারা থেকে শাহ আলম, ফুলবাড়ীতে ওয়ার্কার্স পার্টির শফিকুল ইসলাম শিকদার ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সুদর্শন পালিত, বিরল থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকাররম হোসেন মোকা ও বিরামপুর থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মিঞা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
এমদাদুল হক মিলন/এএম/এমকেএইচ