নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঝুট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সেলিম চৌধুরীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার ঘটনায় গ্রেফতার মোহাম্মদ আলীসহ দুইজনকে তিনদিন করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে রিমান্ড শুনানি শেষে রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক। এর আগে শুক্রবার একই হত্যাকাণ্ডে মোহাম্মদ আলীর কর্মচারী ফয়সাল হত্যার দায় স্বীকার করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউসার আলমের আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দি দেন।
এর আগে মোহাম্মদ আলী ও সোলয়মানের সাতদিন করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে তাদের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।
নিহত কামরুজ্জামান সেলিম ওরফে সেলিম চৌধুরী ফতুল্লার বক্তাবলী কানাইনগর এলাকার মৃত সামছুল হুদা চৌধুরীর ছেলে। সেলিম চৌধুরী হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা মোহাম্মদ আলী আলীরটেক ইউনিয়নের ডিগ্রিরচর এলাকার সালাউদ্দিনের ছেলে ও সোলয়মান গোপালনগর এলাকার বাসিন্দা।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বলেন, মোহাম্মদ আলী ও সোলয়মানের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বিচারক। ব্যবসায়ী সেলিম চৌধুরী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার মোহাম্মদ আলী ও সোলয়মানের সাতদিন করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। সোমবার রিমান্ড শুনানিতে তাদের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন আল আবেদ বলেন, ব্যবসায়ী সেলিম চৌধুরীর দুই লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মোহাম্মদ আলীর গোডাউনে পুঁতে রাখে মোহাম্মদ আলী তার লোকজন। মরদেহের পাশে চুন দিয়ে রাখে যাতে করে মাটির সঙ্গে মিশে যায়। মোহাম্মদ আলীর পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩১ মার্চ বিকেলে সেলিম চৌধুরীকে মোহাম্মদ আলীর গোডাউনে হত্যা করা হয়। এরপর মোহাম্মদ আলী, ফয়সাল, আলী হোসেন ও সোলয়মানসহ চারজন মিলে সেলিমের হাত-পা বেঁধে বস্তায় ভরে রাখে। পরে গোডাউনের ভেতরে একটি গর্ত করে মাটিতে পুঁতে রাখে মরদেহ। এরপর ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়।
মো. শাহাদাত হোসেন/এএম/এমএস