জাতীয়

বাজেট আলোচনায় রেকর্ড সংখ্যক এমপির নাম

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর বক্তব্য রাখার জন্য আজ বুধবার ৭১ জন সংসদ সদস্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এজন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আলোচনা শেষ করতে সংসদ সদস্যদের অনুরোধ জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

আজ বিকেল ৩টায় অধিবেশনের শুরুতে তিনি বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্যগণ, আজ বক্তার সংখ্যা দীর্ঘ। সবাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার চেষ্টা করবেন। আমার কাছে যে তালিকা আছে তাতে আজ বাজেটের ওপর ৭১ জন বক্তব্য রাখবেন।’ মঙ্গলবার (২৫ জুন) বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার জন্য ৫২ জন বক্তার নাম থাকলেও পরে ২৮ জন বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পান। বিকেল তিনটায় অধিবেশন শুরুর পর রাত ১০টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত চলে। এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের ওপর একদিন ৪২ জনের বক্তব্য দেয়ার রেকর্ড রয়েছে।

গত ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল শুরু করলেও অসুস্থতার কারণে তা শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটি পাস হবে ৩০ জুন।

প্রস্তাবিত এই বাজেটের ওপর বক্তব্য শুরু হয় ১৮ জুন। ওইদিন বক্তব্য রাখেন ১০ জন এমপি-মন্ত্রী। পরের দিন ১৯ জুন বক্তব্য রাখেন ১৫ জন। এরপর ২০ জুন ১৪ জন, ২২ জুন ২২ জন, ২৩ জুন ২৬ জন ও ২৪ জুন ১০ জন বক্তব্য রাখেন।

গত বছর সম্পূরক বাজেটসহ মোট বাজেটের আলোচনায় ২২৩ জন এমপি অংশ নেন। তারা মোট ৫৫ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট আলোচনা করেন। অথচ এই বছর গত সোমবার পর্যন্ত ২০১৯-২০ বাজেটের ওপর মোট ১৬৮ জন প্রায় ৩৬ ঘণ্টা বক্তব্য রাখেন। আজ বুধবার ছাড়াও আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও শনিবার (২৯ জুন) বাজেট পাসের দিন আলোচনা হবে।

ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘এবার অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বাজেট বক্তৃতার সব রেকর্ড ভঙ্গ হবে। এবার সবাই বক্তব্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। কিন্তু সময় কম হওয়ায় আমরা সংসদ পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছি।’

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেটের ওপর গত ২৪ জুন পর্যন্ত মোট ১১২ জন বক্তব্য রাখেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৯১ জন (২২ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট), ওয়ার্কার্স পার্টির ৪ জন (১ ঘণ্টা ৬ মিনিট), জাসদ-ইনু ২ জন (৩৪ মিনিট), বিকল্পধারা বাংলাদেশের ১ জন (১১ মিনিট), জাতীয় পার্টির ৭ জন (২ ঘণ্টা ২৪ মিনিট), বিএনপির ৪ জন (৫২ মিনিট), গণফোরামের ২ জন (২৪ মিনিট) এবং স্বতন্ত্র সদস্য ১ জন (১১ মিনিট) বক্তব্য রাখেন।

এইচএস/এসআর/এমকেএইচ