দেশজুড়ে

রাতে তিস্তাপারে কম্বল নিয়ে হাজির উপজেলা চেয়ারম্যান

পৌষের শুরু থেকেই উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে তিস্তাপারের মানুষ। গত ১৫ দিন ধরে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সন্ধ্যা হলেই বৃষ্টির মতো শিশির ঝড়ছে। এতে তিস্তার চরাঞ্চলের লোকজন পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। এই হাড়কাঁপানো শীতে নিজ উদ্যাগে শীতার্ত অসহায় মানুষের জন্য কম্বল নিয়ে ছুটে চলেছেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ। শুক্রবার (৩ জানুয়ারি ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার তিস্তাপারের কাশীরাম গ্রামের ছিন্নমূল শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন তিনি।

সমাজের অসহায় শীতার্ত কিছু মানুষের দুর্দশা লাঘব করতে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ রাতে কখনো রিকশায় কখনো ভ্যানে ঘুরে ঘুরে সুবিধাবঞ্চিত গরিব শীতার্তদের মাঝে এ পর্যন্ত এক হাজার কম্বল বিতরণ করেছেন।

উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের কাশীরাম গ্রামের জোহরা বেওয়া (৫৫) বলেন, এই শীতত ঘুমে ধরে না। কায়বা ডাকাইল ঘরত থাকি বেড়াই মাত্র এখান (একটা) কম্বল পানু বাহে। মুই খুব খুশি। কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ বলেন, আমার মূল উদ্দেশ্য সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সামর্থবানরা শীতে যখন বাহারি পোশাক পড়ে উষ্ণতা নেয় তখন অসহায়রা নগ্ন পায়ে, উদোম গায়ে শীতে কাঁপে। সমাজে কত অনেক মানুষই শীতবস্ত্র বিতরণ করে তবে যারা সত্যিকারের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত তাদের হাতে শীতবস্ত্র পৌঁছানো আমার প্রধান উদ্দেশ্য। এ শীতে সুবিধাবঞ্চিতদের একটু উষ্ণতা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র আয়োজন।

রবিউল হাসান/আরএআর/এমএস