জাতীয়

পোল্ট্রি-ডিম-দুধ উৎপাদন-সরবরাহ-পরিবহন নিশ্চিতে ডিসিদের নির্দেশনা

করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ রোধে সরকারঘোষিত ছুটির মধ্যে পোল্ট্রি, ডিম, দুধ, মুরগির একদিনের বাচ্চার উৎপাদন, সরবরাহ ও পরিবহন স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশনা দিয়ে সব ডিসির কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

‘কোভিড-১৯’ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব সরকারি-বেসরকারি অফিসের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে এবং সারাদেশে যানবাহন চলাচল সীমিত করেছে।

চলমান পরিস্থিতিতে পোল্ট্রি, ডিম, একদিন বয়সের মুরগির বাচ্চা, হাঁস-মুরগির খাদ্য, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যসহ অন্যান্য প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য এবং কৃত্রিম প্রজনন সংক্রান্ত যাবতীয় সরঞ্জামাদি পরিবহন কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদফতরে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল বলেছে, ‘ডিম, মাংস ও দুধ- এগুলো পঁচনশীল দ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এ ধরনের খাদ্যদ্রব্য ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেয়া জরুরি। এ ছাড়া একদিনের বয়সের মুরগির বাচ্চা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ডিলারের দোকানে পৌঁছে দিতে না পারলে প্রতিদিন প্রায় ৩০ লাখ মুরগির বাচ্চা মারা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে কিছুদিনের মধ্যেই ডিম ও মুরগির মাংসের স্বাভাবিক যোগান ঘাটতি পড়বে।’

‘বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। ডিম, দুধ, মাংস মানবদেহে এন্টিবডি তৈরিতে সহায়তা করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।’

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

এমতাবস্থায় পোল্ট্রি, ডিম, একদিন বয়সী মুরগির বাচ্চা, হাঁস-মুরগি-গবাদি পশুর খাদ্য, মাংস, দুগ্ধজাতপণ্য, অন্যান্য প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য এবং কৃত্রিম প্রজনন সংক্রান্ত যাবতীয় সরঞ্জামাদিসহ মাছ, মাছের পোনা ও মৎস্য খাদ্য সরকারঘোষিত ছুটির সময়ে উৎপাদন, পরিবহনসহ বিপণন রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

আরএমএম/জেডএ/জেআইএম