সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গ মানুষ। করোনার প্রভাবে তারাও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। আয়-রোজগারের পথ বন্ধ থাকায় তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছিলেন। হাটবাজার, বাস, ট্রেনের বলতে গেলে দলবদ্ধভাবে একপ্রকার ভিক্ষা করে জীবন চলতো তাদের।
বেশ কিছুদিন ধরে সব ধরনের পরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে তাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে নওগাঁর ১০৫ জন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। যেখানে রয়েছে- চাল, ডাল, আলু, লবণ ও তেলসহ অন্যান্য দ্রব্য।
নওগাঁ শহরের আরজী ও নওগাঁ মহল্লার চাঁদনী বলেন, দোকানপাট, বাস ও ট্রেনে ভিক্ষা করে কিছু টাকা পেতাম। এখন তো সবকিছু বন্ধ আছে। ঘরে যা একটু জমা ছিল তা শেষ। এ অবস্থায় আমাদেরকে ত্রাণ দিয়েছেন ডিসি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উত্তম কুমার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) টুকটুক তালুকদার, জেলা সমাজসেবা উপপরিচালক নূর মোহাম্মদ, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহাবুবুর আলম।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক (ডিসি) হারুন অর রশীদ বলেন, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ সমাজে পিছিয়ে আছে। আগে তারা যেভাবেই হোক চলতে পারতের। কিন্তু করোনার কারণে তাদের রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে। খাবারের অভাবে তারা যেন অভুক্ত না থাকে সেজন্য ত্রাণ বিরতণ করা হয়েছে। ত্রাণ পেয়ে কিছুটা হলেও তারা উপকৃত হবেন।
আব্বাস আলী/এএম/এমএস