দেশজুড়ে

উপকূলীয় বেড়িবাঁধ তছনছ করে দেবে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান!

সাতক্ষীরায় উপকূলজুড়ে রয়েছে ৬৮০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। এর মধ্যে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ১১ কিলোমিটার বাঁধ। জোয়ারের সময় ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আঘাত হানলে তছনছ হয়ে যাবে এসব বাঁধ। তবে ভাটার সময় আঘাত হানলে ক্ষতির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের বলেন, উপকূলবর্তী শ্যামনগর উপজেলায় ৩৮০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ পয়েন্টে তিন কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা বস্তা দিয়ে আমরা ঠেকিয়ে রেখেছি। নদীতে জোয়ারের সময় ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে পানির চাপে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে ভাটার সময়ে আঘাত হানলে ক্ষতির সম্ভাবনা কম। এখন ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার সময় নদীতে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করছে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান খান বলেন, আশাশুনি ও সাতক্ষীরা সদরে আমার এরিয়ার মধ্যে ৩০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে আট কিলোমিটার রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ এরিয়ার মধ্যে ৩৪০০ পয়েন্ট রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো মেরামতের কাজ করছি। নদীতে ভাটার সময় যদি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে তবে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে। আর যদি জোয়ারের সময় আঘাত হানে তবে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাবে।

এদিকে, বাংলাদেশের উপকূলে ঘণ্টায় ১৪০-১৬০ কিলোমিটার গতিবেগে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। প্রথমে সাতক্ষীরার উপকূলে আঘাত হানবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। ঝড়ের সঙ্গে ৫-১০ ফিট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আকরামুল ইসলাম/এএম/পিআর