দেশজুড়ে

নোয়াখালীতে মাস্ক না পরলে বন্ধ করে দেয়া হবে দোকান

নোয়াখালীর নয়টি উপজেলায় ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ বাস্তবায়নে অভিযান পরিচালনা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় মাস্ক না পরার কারণে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।

জেলা শহরের মাইজদী বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে ৬৫ মামলায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং একটি মোবাইলের দোকান তিন দিনের জন্য বন্ধ করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে জেলা প্রশাসন।

এসব কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান, পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেনসহ ৩২ জন ম্যাজিস্ট্রট ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, মাস্ক ব্যবহার একটি অপরিহার্য বিষয়। এটি ব্যবহার করতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। করোনাভাইরাস আজ যেভাবে বিশ্বে জেঁকে বসেছে, এজন্য সেকেন্ড ওয়েভ আসার আগেই আামাদের এখন থেকেই সচেতন হতে হবে। এজন্য সচেতনমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পুলিশ প্রশাসন বিভিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, একবার জরিমানা করার পর কোনো দোকানদার দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে তার জরিমানা দ্বিগুণ করা হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান জাগো নিউজকে জানান, মানুষকে সচতেন করার জন্য গোটা নোয়াখালীতে বড় ধরনের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এরমধ্যে মাইজদীতে তিনি ছাড়াও পুলিশ সুপার, এডিসিসহ ১৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্টেট্র এ দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়া নয়টি উপজেলা ইউএনও ও অ্যাসিল্যান্ডসহ মোট ১৮ জন কাজ করছেন।

তিনি বলেন, জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত মতে, কোনো দোকানে বা মার্কেটে দোকানদার মাস্ক ব্যবহার না করলে তার দোকান সর্বোচ্চ সাতদিনের জন্য বন্ধ করে দেয়া হবে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এতেও যদি মানুষ সচেতন না হয় তাহলে আরও কঠোর হবে প্রশাসন।

মিজানুর রহমান/এসআর/এমকেএইচ