হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে পৌরসভা নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি হচ্ছে বলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা অভিযোগ করছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিস কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
প্রথমধাপে ২৮ ডিসেম্বর অন্য ২৪টি পৌরসভার ন্যায় এ পৌরসভায়ও ইভিএম পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অভিযোগ রয়েছে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রার্থী জয়ী হতে কালো টাকা বিতরণ করছেন। সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ টাকা বিতরণ।
টাকা বিতরণের পর অনেক সময় মিছিল করছেন তারা। নিময়নীতি না মেনে উচ্চশব্দে মাইকে প্রচারণা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এভাবে কালো টাকা বিতরণের ফলে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীরা হতাশ হয়ে পড়ছেন। জয় নিয়ে করছেন দুশ্চিন্তায়।
এক রিকশাচালক বলেন, রিকশা চালিয়ে দৈনিক তিনশ টাকা পেতাম। বর্তমানে কয়েকজন প্রার্থীর সাথে কাজ করে দৈনিক এক থেকে দেড় হাজার টাকা পাচ্ছি। নির্বাচন যদি আরো কয়েক মাস পর হতো। তাহলে আরো ভালো হতো। কয়েক মাস ভালোভাবেই চলতে পারতাম।
আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মাসুদউজ্জামান মাসুক বলেন, বিএনপির প্রার্থী ফরিদ আহমেদ অলি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা প্রতিদিন কালো টাকা বিতরণ করছেন। আমি এ বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছি। কালো টাকার মাধ্যমে তারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করছেন।
এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমদাদুল ইসলাম শীতল বলেন, কালো টাকার কারণে নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীরা বেকায়দায় পড়েছেন। আমি প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে সহকারি রিটার্নিং অফিসার ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, কাউকেই কালো টাকা বিতরণ করতে দেয়া হবে না। নিয়মনীতি মোতাবেক প্রচারণা করতে হবে। আইন অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, ১ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল। ১১ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক পেয়ে প্রার্থীরা প্রচারণা করছেন। ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ইভিএম পদ্ধতিতে।
কামরুজ্জামান আল রিয়াদ/এসএমএম/এমকেএইচ