দেশজুড়ে

গাইবান্ধায় বিদ্রোহী, সুন্দরগঞ্জে জাপা

গাইবান্ধা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মতলুবর রহমান ও সুন্দরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুর রশিদ রেজা সরকার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার নির্বাচনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোত্তালেব বেসরকারিভাবে বিজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করেন।

গাইবান্ধা পৌরসভায় আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী মতলুবর রহমান ১২ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনওয়ার-উল-সরওয়ার (রেল ইঞ্জিন) পেয়েছে ৭ হাজার ৯৭৬ ভোট।

এছাড়াও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর (নৌকা) পেয়েছে ৭ হাজার ৩০১ ভোট, বিএনপি থেকে মো. শহিদুজ্জামান শহীদ (ধানের শীষ) পেয়েছে ৯১৮ ভোট, মো. শামছুল আলম (মোবাইল ফোন) পেয়েছে ২ হাজার ৬৬৯ ভোট, মো. আহসানুল করিম (চামুচ) পেয়েছে ১ হাজার ৯৭৪ভোট, মো. মির্জা হাসান (জগ) পেয়েছে ১৭০ ভোট এবং ফারুক আহমেদ (ক্যারাম বোর্ড) পেয়েছে ১ হাজার ৬৯২ ভোট।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার পৌর নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কোমরনই কেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সরঞ্জামাদি আটকে দিয়েছে এলাকাবাসী। পরে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সঙ্গে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়।

এ সময় একটি সরকারি গাড়িতে আগুন ও তিনটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। শনিবার (১৬ জানুয়রি) সন্ধ্যা ৭টার থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সংঘর্ষ হয়। এতে ২ জন আহত হয়।

অপরদিকে কোনোপ্রকার সহিংসতা ছাড়াই গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুর রশিদ রেজা সরকার দুই হাজার ৭০৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকে আব্দুল আল মামুন পেয়েছে ২ হাজার ৫৫৮ ভোট। এছাড়াও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু খায়ের মশিউর রহমান সবুজ পেয়েছে ২০০ ভোট, মো. আল শাহাদাৎ জামান জিকো (জগ) পেয়েছে ৪২ ভোট, মো. খয়বর হোসেন মওলা (নারিকেল গাছ) ২ হাজার ৫৪০ভোট, গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ (সিংহ) পেয়েছে ২৫৩০ ভোট ও দেবাশীষ কুমার সাহা (মোবাইলফোন) পেয়েছে ৯৩৪ ভোট।

জাহিদ খন্দকার/এমআরএম/জিকেএস