চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের স্থগিত হওয়া কাউন্সিলর পদে নির্বাচন ৩১ মার্চ। এ নির্বানকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ‘সন্ত্রাসের জনপদখ্যাত’ মর্দানা গ্রাম। গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রামটিতে অন্তত ৭০ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও আতঙ্কে রয়েছে গ্রামবাসী।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) রাতেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে ২৪ ককটেল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৩০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সাধারণ কাউন্সিলর পদে উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী গোলাম আজম বলেন, একাধিক মামলা মাথায় নিয়ে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন বর্তমান কাউন্সিলর খাইরুল আলম জেম। মঙ্গলবার জেম নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় শোডাউন দেয় এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে বর্তমান কাউন্সিলর খাইরুল আলম জেম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় প্রবেশ করলে উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী গোলাম আজমের লোকজন অতর্কিতভাবে ককটেল বিস্ফোরণ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। আমার সমর্থকরা ককটেল ফাটায়নি। তিনি সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
সাধারণ ভোটাররা নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, গত ছয় বছর ধরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলে আসছে মর্দানায়। এ সময় সহিংসতায় অন্তত ছয়জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে। সাধরণ মানুষ সন্ত্রাসীদের ভয়ে মুখ খোলার সাহস পায় না। মুখ খুললেই নেমে আসে ভয়াবহ নির্যাতন।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গ্রামে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বোমাবাজির ঘটনায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। কাউকে আটক করা যায়নি।
এএইচ/এএসএম