গত কয়েকদিনের দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। বৃষ্টির জন্য প্রার্থনাও শুরু করে হাওরাঞ্চলের মানুষ। অবশেষে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে মানুষের জীবনে।
বুধবার ভোর থেকে সুনামগঞ্জের ১১টি উপজেলায় প্রথমে ঠান্ডা ঝড়ো বাতাস বইতে শুরু করে। এক পর্যায়ে শুরু হয় বৃষ্টি ও বজ্রপাত। একঘণ্টা বৃষ্টি স্থায়ী হয়।
বৃষ্টি ও বজ্রপাতে কোথাও কোনো ক্ষতি না হলেও দিরাইয়ে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
তাহিরপুরের শনির হাওরের কৃষক মরতুজ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, প্রচণ্ড গরম ছিল কয়েকদিন, তারপরও বন্যায় যদি ফসল তলিয়ে যায়, সেই ভয়ে গরমের মাঝেই হাওরের ধান কেটেছি। আজ ১ ঘণ্টা ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি হওয়ায় এখন বেশ ঠান্ডা লাগছে।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার করচার হাওরের কৃষক তালহা মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, কয়েকদিন এত গরম ছিল যে হাওরে ধান কাটতে গেলে ধান কাটার কাঁচিও রোদের তাপে আগুনের মত গরম হয়ে যেত। হাতে ঠোসা উঠে গেছে। তবে সকালে বৃষ্টি হওয়ায় আজ শান্তিতে ধান কাটতে পারব।
পৌর শহরের রিকশাচালক কবির মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, এ কয়েকদিন একটা ট্রিপ দিয়ে আরেকটা ট্রিপ দেয়া যেত না। আজ সকালে বৃষ্টি হওয়ায় স্বস্তি লাগছে।
লিপসন আহমেদ/এফএ/এএসএম