রাজবাড়ীতে পদ্মার পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি পানিবন্দি মানুষের। প্রায় সাড়ে সাত হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। দেখা দিয়েছে গবাদি পশুর খাবারের সংকট।
শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সকালে পদ্মা নদীর পানি গোয়ালন্দ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা যায়। পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পানি ১০ সেন্টিমিটার কমলেও এখনো বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর বিপৎসীমার আট সেন্টিমিটার নিচ রয়েছে মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে পদ্মার পানি। পানি কমতে থাকায় গোদার বাজারের একটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
চরের পানি বন্দীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরিবারের শিশু, বয়স্ক মানুষ আর গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। চুলা ভিজে যাওয়ায় ঠিকমতো রান্নাও করতে পারছেন না। চলাচলের একমাত্র ভরসা এখন নৌকা। বাজার বা অন্যান্য কাজের জন্য রাজবাড়ী শহরে যেতে হলে নৌকায় করে পাড়ি দিতে হয় উত্তাল পদ্মা। আর চরের বাসিন্দা হওয়ায় কেউ তাদের খোঁজ-খবরও খুব একটা নিতে পারেন না। তাই দুর্ভোগ আরও বেশি।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সৈয়দ আরিফুল হক জানান, প্রত্যেক উপজেলার যেসব এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে সেখানে এরই মধ্যে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছেছে। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমান ত্রাণ মজুদ আছে। এখন পর্যন্ত জেলায় সাড়ে সাত হাজার পানিবন্দি পরিবারের তালিকা পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।
রুবেলুর রহমান/ এফআরএম/জিকেএস