ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রির চর ইউনিয়নের পদ্মা নদী সংরক্ষণ বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। সোমবার(২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ও মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে দুই দফা বাঁধের ৭০ ফুট অংশের সিসি ব্লক ধসে যায়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) জরুরিভাবে ভাঙনের ব্যাপকতা প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে।
স্থানীয় ডিক্রির চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান মিন্টু ফকির বলেন, প্রথমে স্থানীয় এলাকাবাসী ধসের বিষয়টি আমাকে জানায়। তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়। ওই রাতেই কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয় এবং বুধবার থেকে ডাম্পিং কাজ শুরু করা হয়েছে।
এদিকে, পদ্মা নদীর অপরপাড়ে বিভিন্ন অংশে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, নদীর স্বাভাবিকতা না থাকায় প্রতি বছরই বাড়ি ঘর ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ৩০ বছরে ফরিদপুরের মানচিত্র থেকে ডিক্রির চরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্থাপনা, বসতি ও কৃষি জমি হারিয়ে গেছে। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসংখ্য পরিবার জেলার বিভিন্ন স্থানে কোনোমতে বসবাস করছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ও ভাঙনকবলিত এলাকাবাসীর দাবি, আমরা চাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই নদী ভাঙন প্রতিরোধ করা হোক।
ব্লক ধসের বিষয়ে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা বলেন, ভাঙনরোধে জরুরিভাবে জিও ব্যাগ ডাম্পিং অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনের গভীরতা পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নদীর অপর পাড়ে ভাঙনের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা তো নদী থেকে জেগে ওঠা বালু চর। সেখানে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে কোনো লাভ হবে না। পরবর্তীতে অবস্থার পরি প্রেক্ষিতে প্রকল্প গ্রহণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এন কে বি নয়ন/এসজে/এএসএম