নোয়াখালীর সেনবাগে অপহরণ মামলায় কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে বাদীকে কুপিয়ে জখম করেছেন আসামিরা। এ সময় তার বাবাকেও (৫৬) পিটিয়ে আহত করা হয়।
এ ঘটনায় শনিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে মামুন (৩৫) নামে এক অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।
আহতরা হলেন- কাবিলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফতেহপুর গ্রামের রেজাউল হক (৫৬) ও তার ছেলে দেলোয়ার (২৬)।
আহত রেজাউল হক বলেন, আমার ছেলে দেলোয়ার নিজেদের জায়গায় বেড়া দিচ্ছিল। এ সময় অপহরণ মামলার আসামি মিজানুর রহমান ও মামুনের নেতৃত্বে পাঁচ-সাতজনের একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার ছেলেকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। এ সময় ছেলের চিৎকারে এগিয়ে গেলে তারা আমাকেও পিটিয়ে আহত করে। দেলোয়ারকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এবং আমাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি আরও বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বড় ভাই মমিনুল হক ও তার ছেলে মিজানুর রহমান ও মামুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জেরে এক বছর আগে তারা দুই ভাই ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা আমার ছেলে দেলোয়ারকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে বেগমগঞ্জের রসুলপুর গ্রামে নির্জন চিতাখোলায় নিয়ে জবাই করে হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই সময় দেলোয়ার কৌশলে পালিয়ে এসে প্রাণে রক্ষা পায়। এরপর দেলোয়ার অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা করলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। তারা দীর্ঘদিন হাজতবাসের পর সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে এসে বিভিন্ন ছলচাতুরীর মাধ্যমে বিবাদে জড়ানোর চেষ্টা করছিল।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে রেজাউল হক বাদী হয়ে থানায় মামলা করেনে। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ইকবাল হোসেন মজনু/এসজে/জেআইএম