দেশজুড়ে

সিনহা হত্যা: এএসপি খাইরুলকে টানা ৭ ঘণ্টা জেরা

পুলিশের গুলিতে নিহত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামকে টানা সাত ঘণ্টা জেরা করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে আদালত মুলতবির আগ পর্যন্ত (বিকেল ৫টা) তাকে জেরা করা হয় বলে জানান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফরিদুল আলম।

এর আগের দিন মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) দিনের প্রথম প্রহরে মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি জামিলুল হককে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। বাকি সময় আদালতে সাক্ষ্য দেন অভিযোগপত্র উপস্থাপনকারী তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খায়রুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদুল আলম বলেন, বুধবার সপ্তম দফায় শেষদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামকে জেরা করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এর পরও জেরা শেষ হয়নি। আগামী ২৯, ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ওসি প্রদীপসহ মামলার ১৫ জন আসামিকে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থায় আদালতে নিয়ে আসা হয়।

টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গত ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফে দুটি, রামুতে একটি) মামলা করে। ঘটনার পর গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মেজর সিনহার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

আলোচিত এ মামলায় গতবছরের ১৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা ও র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ওসি প্রদীপসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন আদালত ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ৮৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৬৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/এএসএম