দেশজুড়ে

পদ্মার চরে ঘুড়ি-ফানুস উড়িয়ে বছর বিদায়

ফরিদপুরে পদ্মার চরে খ্রিস্ট্রিয় বর্ষপঞ্জির শেষ দিনে বর্ণিল ঘুড়ি ও ফানুস উৎসবে মেতে ওঠে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীসহ নানা বয়সের মানুষ। শহরতলীর ধরার মোড় এলাকায় ফেসবুক গ্রুপ ‘ফরিদপুর সিটি’ এই উৎসবের আয়োজন করে। এতে সহায়তা করে ফরিদপুরের টাইমস বিশ্ববিদ্যালয়।

শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে বর্ণিল এই উৎসবের উদ্বোধন করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।

সরেজমিনে দেখা যায়, পতন, মানুষ, নয়ন তারা, কইরা, চিল, প্লাজো, রোহিঙ্গা, অ্যাংরি বার্ড, ডোল, ঈগলসহ নানান বাহারী নামের কয়েকশ ঘুড়ি পদ্মার বুকের সোনালী বিকেলকে আরও বর্ণিল করে তুলেছে। সেই সঙ্গে হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পদ্মার বালুচর।

রাতে অনুষ্ঠিত হয় ফানুস উৎসব ও কনসার্ট। স্থানীয় ও দেশের নামিদামি শিল্পীদের নানান গানের সঙ্গে রঙিন ফানুসের রঙে মেতে ওঠে হাজারো দর্শকের মন। উৎসবে প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রতিযোগী বিভিন্ন আকার-আকৃতির ঘুড়ি নিয়ে সমবেত হয় পদ্মার চরে। উৎসব শেষে ১০ বিজয়ীর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

‘ফরিদপুর সিটি’ পেজের মডারেটর সজীব মোল্লা, কৃষ্ণনগরের পলাশ খানসহ একাধিক ব্যক্তি জাগো নিউজকে বলেন, ‘চলো হারাই শৈশবে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবারের এ পঞ্চম আয়োজনে ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানের হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে থেকে শুরু হয় মানুষের মাঝে ভিন্ন রকমের আমেজ। ঘুড়ি ও ফানুস উৎসবের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে পদ্মার পাড় ধলার মোড় স্থানটি।

ফরিদপুর সিটি পেজের এডমিন ইমদাদুল হক জাগো নিউজকে বলেন, এই ঘুড়ি ও ফানুস উৎসব পঞ্চমবারে মতো অনুষ্ঠিত হলো। আমাদের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিকে মনে করিয়ে দিতে, ধরে রাখতে আমাদের এই ভিন্ন রকমের আয়োজন।

টাইমস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন (ব্যবসায়িক ও শিক্ষা অনুষদ) ড. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন জেলা প্রশাসক অতুল সরকার, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষক রিজভী জামান, দেবাশীষ বিশ্বাস, ইমদাদুল হক প্রমুখ।

এন কে বি নয়ন/এফএ/এমএস