দেশজুড়ে

মুন্সিগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বাড়ির রাস্তায় গুলিবর্ষণের অভিযোগ

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহর বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ৮ রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। এ ঘটনায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহর বড়ভাই হাফিজুর রহমান খান তার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে গাড়িযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে দুর্বৃত্তরা তার গাড়ি লক্ষ্য করে একটি ককটেল ছুড়ে মারে। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর থেকে ইমামপুর গ্রামের ব্রিজ থেকে গুলিবর্ষণ করতে করতে জিন্নাহ চেয়ারম্যানের বাড়ি অভিমুখে আগাতে থাকেন কয়েকজন বন্দুকধারী।

এ সময় জিন্নাহর বাড়ি লক্ষ্য করে আট রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যান তারা।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জিন্নাহর বড় ভাই হাফিজুর রহমান খান বলেন, সন্ত্রাসীদের বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা খুব দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসায় তারা সফল হতে পারেনি। নির্বাচনে ভরাডুবির ভয়ে সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো ও জানমালের ক্ষতি সাধনের জন্যই নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জিতুর সমর্থকরা এ কাজ করেছে।

নৌকা প্রার্থীর পক্ষ থেকে এ গুলিবর্ষণের অভিযোগ করে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মনসুর আহমেদ খান বলেন, এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ বাড়ি থেকে বের হওয়ার সাহস পাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফিজ্জুজামান খান জিতুর সমর্থকরাই এ কাজ করেছে। অস্ত্রবাজদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফিজুজ্জামান খান জিতুর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কেটে দেন।

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রইছ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর বাড়িতে নয়, বাড়ির পাশে ঝোপঝাড়ে গুলিবর্ষণের মতো কয়েকটি শব্দ শুনতে পায় স্থানীয়রা। এমন খবর ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়। তবে গুলি কিংবা গুলিরখোসা পাওয়া যায়নি। কারা গুলি করেছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি স্থানীয়রা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরাফাত রায়হান সাকিব/এসজে/জিকেএস