ভোটে হেরে দেওয়াল, টিন ও বাঁশ দিয়ে ৫০ পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের এক নারী সদস্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নড়িয়া থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাস্তা উন্মুক্ত করে দেওয়ারে জন্য এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন।
অভিযুক্তের নাম আমেনা বেগম (৪৭)। তিনি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ঘড়িষার ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী প্রার্থী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, গত নির্বাচনে ইসমতারা বেগমের কাছে হেরে যান আমেনা বেগম। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ৫০ পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেন তিনি। এতে কৃষিসহ দৈনন্দিন কাজে ভোগান্তিতে পড়েন এলাকাবাসী।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জসিম ঢালী, আব্দুর রহিম, মোতালেব ঢালী, মো. ফিরোজ হাওলাদার, হাজেরা বেগম, সাহিদা বেগমসহ বেশ কয়েকজন এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা হয়। তারা জানান, পঞ্চাশ বছর ধরে এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছি। ধান, গম, সরিষাসহ বিভিন্ন ফসল এ পথ দিয়ে আনা নেওয়া হয়। কিন্তু আমেনা বেগম নির্বাচনে হেরে আমাদের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন।
অভিযুক্ত আমেনা বেগম বলেন, নির্বাচনে হেরে পথ বন্ধ করেছি বিষয়টি এমন নয়। ওই জমি আমাদের পৈত্রিক। তাই আমাদের জমিতে প্রয়োজনে প্রাচীর দিয়েছি।
এ ব্যাপারে ঘড়িষার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুর রব খান বলেন, এলাকায় বসবাস করলে সবাই মিলে মিশে চলতে হয়। কারো সহযোগিতা ছাড়া কেউ চলতে পারে না। রাস্তা বন্ধ করা একটি ভুল সিদ্ধান্ত। আমেনার ভাইয়েরা বিদেশে থাকে, বিষয়টি জানার পর থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনি সংকর কর বলেন, ওই জমি আমেনা বেগমের পরিবারের। যেহেতু তাদের ব্যক্তিগত জমি, পথ খুলে দেওয়ার ব্যাপারটা তাদের। তবুও সকলের স্বার্থে আমিও বলেছি সবার সঙ্গে মিলে যেতে।
মো. ছগির হোসেন/আরএইচ/এএসএম