জাতীয়

মটকাটি ১৭৬ বছর আগের

চাল সংরক্ষণের জন্য মাটির তৈরি ঐতিহ্যবাহী একটি মটকা সংরক্ষণ করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। ১৭৬ বছরের পুরোনো এ মটকার চাল ধারণক্ষমতা ৩৪৫ কেজি।

ব্রির রাইস মিউজিয়ামে প্রদর্শনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর চুউরিয়া থেকে এ মটকাটি সংগ্রহ করেন কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের সিএসও এবং প্রধান ড. আমিনুল ইসলাম।

মটকাটি সংগ্রহ করেছেন কুমিল্লার সিএসও ড. আমিনুল ইসলাম

মটকাটি দিয়েছেন আলহাজ আব্দুল মালেক। যিনি আমিনুল ইসলামের বাবা।

আমিনুল ইসলাম জাগো নিউজকে জানান, সম্ভবত চার পুরুষ ধরে মটকা পারিবারিকভাবে চাল সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে। আমার দাদা এটি তার বাবার কাছে পেয়েছিলেন। তার আগের ইতিহাস সঠিক জানা যায়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর চুউরিয়া থেকে মটকাটি সংগ্রহ করা হয়েছে

তিনি বলেন, বাবা এখন বৃদ্ধ মানুষ। ওভাবে আর চাল রাখা হয় না। তাই সবার দেখার জন্য মিউজিয়ামে এটি দান করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা ছোটবেলায় এ মটকার ভেতরে ঢুকে সেখান থেকে চাল সংগ্রহ করতাম। এটি আমাদের পূর্বপুরুষের স্মৃতি।

কয়েকজন মিলে মটকাটি গাড়িতে তোলা হয়

প্রসঙ্গত, মটকা মাটি থেকে তৈরি করা একপ্রকার বিশালাকৃতির পাত্র, যা দেখতে অনেকটা কলসের মতো মনে হয়। এজাতীয় পাত্রে সাধারণত চাল সংরক্ষণ করা হয়।

ব্রি বলছে, আগে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব মটকায় চাল সংরক্ষণ করা হতো। মটকায় রাখা চালে সহজে পোকায় ধরে না এবং চালের গন্ধ ও স্বাদ দীর্ঘদিন অটুট থাকে। তাছাড়া মাটি থেকে তৈরি বলে এজাতীয় পাত্রের সংস্পর্শে থাকার ফলে চালেও কোনো ক্ষতিকারক উপাদান মেশে না।

এনএইচ/এসএইচএস/জিকেএস