দেশজুড়ে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমে উঠেছে ভাসমান গো-খাদ্যের বাজার

ঈদুল আযহার আর মাত্র মাঝে দুদিন বাকি। এরই মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুহাট। কমবেশি চলছে বেচাকেনাও। তবে অনেকে জায়গা সংকটে এখনো কিনছেন না পশু। এদিকে কিনে রাখা কোরবানির পশুর খাবারের চাহিদা মেটাতে ফুটপাতে পসরা সাজিয়ে বসেছেন মৌসুমি গো-খাদ্য ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরে ঘুরে দেখা যায়, প্রধান সড়কসহ অধিকাংশ পাড়া-মহল্লার মোড়ে গো-খাদ্য নিয়ে বিক্রির জন্য বসেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। এরমধ্যে থানা ব্রিজ এলাকা, ঘোড়াপট্রি মোড়, কান্দিপাড়া মোড়, জেল রোড, সাবেরা সোবহান স্কুলের মোড়, সরকারি কলেজের মোড়সহ প্রায় প্রতিটি মহল্লা মোড়ে পসরা সাজিয়ে বসেছেন তারা। গো-খাদ্য মধ্যে রয়েছে খড়, কাচা ঘাস, ভুসি ও খৈল।

থানা ব্রিজ এলাকায় গো-খাদ্য নিয়ে বসা হাবিবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বাড়ি বিজয়নগরের মনিপুর গ্রামে। কৃষি কাজ করে খাই। প্রতি বছর কোরবানির ঈদের তিন-চার দিন আগে এ জায়গাতেই গো-খাদ্য নিয়ে বসি। এ বছর শুধু খড় বিক্রি করছি। গত দুদিনে ৫ হাজার টাকার বিক্রি হয়েছে।’

ঘোড়াপট্রি মোড়ে দোকান নিয়ে বসা রাকিব মিয়া নামের আরেকজন বলেন, ‘আমার মূল পেশা রাজমিস্ত্রি। ঈদকে সামনে রেখে বাড়তি আয়ের আশায় আজকে থেকে দোকান নিয়ে বসেছি। আঁটি হিসেবে খড় ও কাঁচা ঘাস বিক্রি করছি। প্রতি আঁটি খড় ৩০ টাকা ও কাঁচা ঘাস ৪০ টাকা রাখছি।’

কাঁচা ঘাস কিনতে আসা মাকসুদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘ঈদে শহরে এসব গো-খাদ্যের দোকান খোলায় আমাদের জন্য সুবিধা হয়। নাহলে কোরবানির পশুর জন্য খাদ্য সংগ্রহ করা অনেকটা কষ্টকর হতো।’

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এসজে/জিকেএস