যশোরের একটি আদালতে একদিনে ১৪টি মামলার রায় দিয়েছেন বিচারক। এরমধ্যে ৮ মামলার ৯ আসামিকে সাজা এবং অন্য ৬ মামলার ৬ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩১ জুলাই) যুগ্ম জেলা জজ শিমুল কুমার বিশ্বাস এই রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিপি ভীম সেন দাশ ও লতিফা ইয়াসমিন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাজা প্রদান করা ৮টি মামলার মধ্যে তিনটি চেক জালিয়াতি ও বাকি ৫টি মাদক মামলা ও চোরাচালান আইনের।
২০১২ সালের ৭ মার্চ শার্শা বাজারের যাত্রী ছাউনি থেকে যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার শামসুর রহমানের ছেলে আব্দুর রব ও চাঁচড়া রায়পাড়ার মোস্তফার ছেলে বশিরকে ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে পুলিশ। এ মামলায় আদালতে প্রত্যেকের ৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।
এছাড়াও ২০১২ সালের ২৮ জানুয়ারি চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকা থেকে ১৫ বোতল ফেনসিডিলসহ পিরোজপুর জেলার কালিরঘাট গ্রামের সলেমান ফকিরের ছেলে দুলাল ফকিরকে আটক করা হয়। এ মামলায় দুলালের তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
২০১৩ সালের ১ মে যশোর শহরের ধর্মতলা এলাকা থেকে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ সদর উপজেলার সুজলপুর গ্রামের হঠাৎপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে আব্দুল মান্নান আটক হয়। এ মামলায় তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।
এছাড়া চোরাচালান মামলায় মণিরামপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের সুলতান গাজীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ডেরর আদেশ দেন আদালত। তবে আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছেন।
এছাড়া মাদক মামলায় নতুন উপশহর এলাকার মতলেব বিশ্বাসের ছেলে রবিউল ইসলামকে এক বছরের সাজা প্রদান করে আট শর্তে প্রবেশনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এর বাইরে অন্য মামলাগুলোর আসামিদের পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। তাছাড়া ৬টি চেক জালিয়াতি মামলার ৬ আসামির খালাস দিয়েছেন আদালত।
মিলন রহমান/কেএসআর