ফিচার

ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ও বিমল করের প্রয়াণ

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

২৬ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার। ১১ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঘটনা১৩০৩- আলাউদ্দিন খিলজি রাজস্থানের চিতোরগড় দখলে নেন।১৭৬৮- ক্যাপ্টেন জেমস কুক জাহাজ এইচএমএস এনডিভার নিয়ে ইংল্যান্ড থেকে যাত্রা শুরু করেন।১৮৮৩- ইন্দোনেশিয়ায় ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে ৩৬ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।১৯২৭- ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি কলকাতায় প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু করে।১৯৫৫- সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালীর’ মুক্তি লাভ করে।২০০৬- দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এশিয়া এনার্জি নামের একটি কোম্পানির কয়লা প্রকল্পের বিরুদ্ধে স্থানীয় মানুষের বিশাল সমাবেশে বিডিআর গুলি চালালে তিনজন নিহত হন। আহত হন দুই শতাধিক আন্দোলনকারী।

জন্ম১৮৬৯- রহস্য কাহিনিকার ও সম্পাদক দীনেন্দ্রকুমার রায়।১৮৮০- ফরাসি কবি গীয়ম আপোলিনেয়ার।১৯১০- শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী ও ধর্মপ্রচারক দা মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাতা মাদার তেরেসা।১৯২০- পশ্চিমবঙ্গের বাংলা চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জন্ম মুন্সীগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে। ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি’স হাই স্কুল এবং জগন্নাথ কলেজে শিক্ষা শেষ করে কলকাতায় আসেন ১৯৪১ সালে। এখানে এসে আয়রন এন্ড স্টীল কোম্পানি নামে একটি সরকারি অফিসে যোগ দেন। অভিনয়-জীবন শুরু করেন ১৯৪৭ সালে, ‘জাগরণ’ ছবির মাধ্যমে। সেই বছরই ‘অভিযোগ’ নামে অন্য একটি ছবি মুক্তি পায়। এরপর ধীরে ধীরে ছবির সংখ্যা বাড়তে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘মন্ত্রমুগ্ধ’, ‘বরযাত্রী’ এবং ‘পাশের বাড়ি’। ১৯৫৩ সালে মুক্তি পেল তার অন্যতম সফল সিনেমা ‘সাড়ে চুয়াত্তর’, ‘ভানু পেল লটারি’, ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’। ১৯৫৯-এ মুক্তি পায় ‘পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট’ এই ছবিতে ভানু নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তার শেষ ছবি ‘শোরগোল’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৪ সালে। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে হাস্যকৌতুকময় অভিনয়ের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন দিকপাল।

মৃত্যু১৯৩৪- বাঙালি কবি, গীতিকার এবং গায়ক অতুলপ্রসাদ সেন।১৯৬১- প্রখ্যাত অধ্যাপক ও লেখক চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য।১৯৮২- প্রখ্যাত বাঙালি ঐতিহাসিক সুশোভন সরকার।২০০৩- ভারতীয় বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক বিমল কর। ১৯২১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতে জন্ম তার। বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। তারপর আসানসোল অ্যামিউনেশন প্রোডাকশন ডিপোয় এআরপি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৪৪ সালে তার রচিত প্রথম ছোটগল্প অম্বিকানাথের মুক্তি প্রবর্তক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯৪৬ সালে মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত পরাগ পত্রিকায় সহ সম্পাদক হিসেবে ছিলেন। ১৯৫৪ সালে তার রচিত প্রথম ছোটগল্প সংকলন বরফ সাহেবের মেয়ে প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য তার রচিত বিখ্যাত চরিত্র অবসরপ্রাপ্ত ম্যাজিসিয়ান কিঙ্কর কিশোর রায় বা কিকিরা। তার রচিত বেশ কয়েকটি কাহিনিতে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বসন্ত বিলাপ, হ্রদ (চলচ্চিত্র), বালিকা বধূ, যদুবংশ, ছুটি (এটি তৈরি হয়েছিল তার খড়কুটো উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে)। অসময় উপন্যাসের জন্য ১৯৭৫ সালে সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার পান। এছাড়া কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র পুরস্কার, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহ দাস পুরস্কার ও দুবার আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন।২০০৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী, কমিউনিস্ট নেতা ও কমিউনিস্ট আন্দোলনের বিশিষ্ট গবেষক সুবোধ রায়।২০১৯- বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা খলিলুর রহমান বাবর।

দিবসফুলবাড়ী দিবস

কেএসকে/জিকেএস