আন্তর্জাতিক

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এখনো অটুট রয়েছে: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা চালানোর পরও ইরানের অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনো অক্ষত রয়েছে। এছাড়া দেশটিতে এখনো বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও রয়ে গেছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক এক মূল্যায়নের বরাতে তিনটি সূত্র সিএনএনকে এসব তথ্য জানিয়েছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের ভাণ্ডারে এখনো হাজার হাজার ড্রোন মজুত আছে। এখনো পুরো অঞ্চলে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর সক্ষমতা তাদের রয়েছে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এমন কিছু লঞ্চার রয়েছে, যেগুলো হয়তো হামলার কারণে মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে কিন্তু পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। ফলে এগুলো আপাতত ব্যবহারের অনুপযোগী হলেও সচল রয়েছে।

দুটি সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ড্রোন সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশ এখনো অটুট আছে। এর অর্থ হলো, তাদের হাতে এখনো হাজার হাজার ড্রোন রয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্রুজ মিসাইলের একটি বড় অংশও অক্ষত আছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরান উপকূলে খুব একটা বিমান হামলা না চালানোয় এগুলো রক্ষা পেয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মাধ্যমে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের হুমকি তৈরি করতে পারে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা জনসমক্ষে এরই মধ্যে ইরান যুদ্ধে জয়লাভের দাবি করেছেন। বুধবার (২ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়ার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তাদের অস্ত্র কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এখন খুব অল্পসংখ্যক টিকে আছে।’

তবে গোয়েন্দা তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। এসব তথ্য ইরানের টিকে থাকা সামরিক শক্তি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ও ভিন্ন এক চিত্র তুলে ধরছে।

সূত্র: সিএনএন

এসএএইচ