সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বালুবোঝাই একটি বাল্কহেড ডুবে আবুল শিকদার (৪৫) নামের একজন নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় কবির ও খলিলুর রহমান নামের দুজন সাঁতরিয়ে পাড়ে ওঠেন।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ আবুল শিকদার মানিকগঞ্জ জেলার গ্রাবনিয়া গ্রামের রহিম সিকদারের ছেলে।
বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান মাসুদ বাপ্পী জাগো নিউজকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বঙ্গবন্ধু সেতুর আনসার আব্দুর রহমান বলেন, নদীতে পানি বাড়ছে। নদীর প্রবল স্রোতে বাল্কহেডটি নিয়ন্ত্রণ হারালে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম পাড়ের ৯ নম্বর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে বাল্কহেডটি সেখানেই ডুবে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে বেঁচে ফিরে আসা খলিলুর রহমান বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ হাজী সাত্তারের বালু মহাল থেকে বালু ভর্তি করে বাল্কহেড নিয়ে আমরা মানিকগঞ্জের দিকে রওনা দেই। নদীতে অতিরিক্ত স্রোতের কারণে পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লাগার পর বাল্কহেডটি ডুবে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে আমরা তিনজন সাঁতরে পাড়ে আসতে সক্ষম হলেও বাকি একজন বাল্কহেডটির নিচে আটকা পড়ে যান।’
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম নৌ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ‘বাল্কহেড ডুবেছে কি না সেটা আমরা দেখবো। এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা না দেখে তারা অন্য বিষয় দেখুক।’
বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান মাসুদ বাপ্পী বলেন, ‘আমরা বিষয়টির খোঁজ নিয়েছি। সাত নম্বর পিলারের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাল্কহেডটি ৯ নম্বর পিলারের কাছে গেলে পরে আর বের হয়নি। পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে এটি তলিয়ে যায়। তবে সেতুর নিচ দিয়ে ভারী বাল্কহেড চলাচলের কোনো নিয়ম আছে কি না আমার জানা নেই।’
এসআর/জিকেএস