সিরাজগঞ্জের চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুরের ৬০ টিরও বেশি স্থানে দেশিয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের শুঁটকি উৎপাদন হচ্ছে। বিশেষ করে টাকি, চিংড়ি, শোল, টেংরা ও পুঁটি মাছের শুঁটকি উৎপাদন হচ্ছে। এর মধ্যে পুঁটি মাছের শুটকির পরিমাণ বেশি।
স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত এসব শুঁটকি পাশের দেশ ভারতেও রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যাচ্ছে এসব শুঁটকি। এতে করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন এ এলাকার অন্তত ৬০ ব্যবসায়ী। পাশাপাশি এসব শুঁটকি চাতালে কর্মরত অন্তত ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ জীবিকা নির্বাহ করছেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত মৌসুমে জেলায় ২৩৫ দশমিক ২৩ মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদন হয়। এবার মাছের সংকট থাকায় শুঁটকি উৎপাদন কম হবে। তবে জেলার তিন উপজেলায় ৬০ চাতালে এবারো শুঁটকি উৎপাদন হচ্ছে।
মৎস্য বিভাগের হিসেব মতে, প্রতি ৩ দশমিক ৫ কেজি কাঁচা মাছে এক কেজি শুঁটকি উৎপাদন হয়। যার গড় মূল্য কেজিপ্রতি ৪৫০-৬০০ টাকায় বিক্রি হয়। প্রতিমণ শুঁটকির দাম ১৮-২৪ হাজার টাকা।
তাড়াশ উপজেলার মান্নান নগর এলাকার শুঁটকি ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান জাগো নিউজকে জানান, চলনবিলে আর আগের মত কর্ম চঞ্চলতা নেই। এবার পর্যাপ্ত মাছ না থাকায় শুঁটকি উৎপাদনও কম হবে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহীনূর রহমান জানান, শুঁটকি সঠিক উপায়ে উৎপাদন ও সংরক্ষণ করা গেলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য ভালো হতো।
আরএইচ/জিকেএস