জাতীয়

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে দুই শতাধিক সাম্পানে মাঝ নদীতে অনশন

কর্ণফুলী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়ে মাঝ নদীতে দুই শতাধিক সাম্পানে অনশন করেছে সাম্পান মাঝি ও পরিবেশ সংগঠনের কর্মীরা। বুধবার (৯ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত একটানা প্রায় ৮ ঘণ্টা এ অনশন কর্মসূচি চলে।

কর্ণফুলী নদীর খেয়া পারাপারের ঘাটগুলোতে যাত্রী পারাপার বন্ধ রেখে মাঝনদীতে অনশনে যোগ দেন সাম্পান মাঝিরা। পাশাপাশি সাম্পান মাঝি ও চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনসহ পাচ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনশনে যোগ দেয়।

সকাল থেকে শুরু হওয়া অনশনে একাত্বতা ঘোষণা করে বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরামের সিনিয়র সহসভাপতি প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্ণফুলী দখল-দূষণ করে পঙ্গু করা হচ্ছে। নদী ও তীর দখল করে গড়ে উঠেছে একের পর অবৈধ স্থাপনার জঞ্জাল।

চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের উপদেষ্টা অধ্যাপক নোমান আহমদ সিদ্দিকি বলেন, কর্ণফুলী বাংলাদেশের প্রাণ প্রবাহ। আজকে মৃতপ্রায় কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা অচিরেই উচ্ছেদ করতে হবে।

অনশনকারীরা বলেন, ২০১৯ সালে হাইকোর্ট প্রদত্ত চূড়ান্ত রায় অনুসারে নদী ও তীর দখল করে গড়ে উঠা ২১৮১টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরে যাবে না। আগামী পনের দিনের মধ্যে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদী তীরে টিকে থাকা আড়াই শতাধিক বনজ ও ওষুধি গাছ সংরক্ষণ করতে হবে। অন্যথায় আদালতের আদেশ অবমাননার অভিযোগ এনে যথাযথ আদালতে রিট আবেদন করা হবে বলে জানান নেতারা।

ইকবাল হোসেন/এমআইএইচএস