রাজশাহীতে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বুধবার (১৮ জানুয়ারি) রাজশাহীর মানবপাচার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ভুক্তভোগী আবু তালেব মুন্না। তিনি চারঘাট উপজেলার সরদহ মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের নাম আবদুল করিম। তিনি রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে কর্মরত। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বারোঘোরিয়া এলাকায় তার বাড়ি।
আরও পড়ুন: স্কুলছাত্রীর ওড়না টেনে কারাগারে যুবক
মামলায় পুলিশ কনস্টেবল আবদুল করিমের সহযোগী হিসেবে আরেকজনকে আসামি করা হয়েছে। তার নাম মমিন আলী। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহারাজপুরে তার বাড়ি। আদালত মামলাটি পুলিশকে তদন্ত করতে দিয়েছেন।
বাদীর আইনজীবী আব্দুস সবুর খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ২০২০ সালে কারারক্ষী পদে নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে আবু তালেবের কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা নেন পুলিশ সদস্য আবদুল করিম। তবে তিনি চাকরি পাইয়ে দিতে পারেননি। পরে টাকা ফেরত চাইলে তিনি কৌশলে আদম ব্যাপারীর মাধ্যমে তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই) পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: এসিল্যান্ডের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়, যুবকের জেল
গতবছরের নভেম্বর মাসে দুবাইয়ে গিয়ে আবু তালেব পড়েন মমিন আলীর খপ্পরে। তাকে সেখানে আটকে রাখা হয়। টানা ৩৮ দিন বন্দি থাকার পর আরও পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে মেলে মুক্তি। এরপর গত ৩০ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরে আসেন। এরপর তিনি আদালতের দারস্থ হলেন।
আইনজীবী আব্দুস সবুর খান আরও বলেন, আদালত আবু তালেবের অভিযোগ আমলে নিয়েছেন। মামলাটি তদন্তের জন্য চারঘাট থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আরও পড়ুন: বোরো মৌসুমের শুরুতেই রাজশাহীতে লোডশেডিং, ভোগান্তিতে কৃষক
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আবদুল করিমের মোবাইলফোনে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। এছাড়া পুলিশ একাডেমিতে অফিসিয়ালি যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।
সাখাওয়াত হোসেন/এমআরআর/জেআইএম