সবশেষ ২০১৫ সালে কিলোমিটার প্রতি সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া নির্ধারণ করে দেয় সরকার। এরপর দফায় দফায় বেড়েছে সিএনজি অটোরিকশার জ্বালানি গ্যাসের দাম। পাশাপাশি বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। এমনকি সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে অনেক বেশি হারে সিএনজি অটোরিকশার জমার টাকা নেন মালিকরা। এসব কারণে মিটারে না গিয়ে চুক্তিভিত্তিক অটোরিকশা চালান বলে দাবি চালকদের।
এছাড়া সড়কে চলাচলের সময়ে মামলা ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে চালকদের। এ অবস্থায় মিটার আপডেট না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের মিটার মামলা বন্ধে পদক্ষেপ নিতে আগামীকাল রোববার দুপুরে বনানীর বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি ও সংস্থাটির চেয়ারম্যানকে স্মারকলিপি দেবেন সিএনজি অটোরিকশা চালকরা।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা চালক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মো. গোলাপ হোসেন সিদ্দিকি।
তিনি বলেন, ‘আমি যাত্রীর সঙ্গে দর-কষাকষি করি। চুক্তিতে যাই। অথচ ট্রাফিক পুলিশ আমাদের ২ হাজার টাকার মামলা দিচ্ছে। কাল এ সমস্যা সমাধানে বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে একটা আশ্বাস প্রত্যাশা করি। না দেওয়া পর্যন্ত আমরা বনানীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে অবস্থান করবো। আমাদের এক দফা, এক দাবি। আর কোনো বিকল্প কথা নেই, আর কোনো আলোচনা নেই।’
গোলাপ হোসেন সিদ্দিকি আরও বলেন, ‘মিটারে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বাড়ানো হোক বা না হোক, সেটা বিআরটিএ’র ব্যাপার। কিন্তু ভাড়া আপডেট না হওয়া পর্যন্ত আমাদের একটা লিখিত আশ্বাস দিতে হবে যে- আপাতত মিটার মামলা বন্ধ। কারণ বিআরটিএ’র আইনের বাইরে ট্রাফিক পুলিশ কিছু করতে পারে না। ট্রাফিক সার্জেন্টরা আমাদের বলেছেন- বিআরটিএ না বলা পর্যন্ত আমরা মামলা দিতেই থাকবো।’
তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া নির্ধারণ করা হয় ২৪ টাকা। এরপরে গ্যাসের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। মিটারের সঙ্গে গ্যাসের দামে পার্থক্য আছে। দ্রব্যমূল্যও অনেক বেশি। গ্যারেজে সিএনজি জমা ৯০০ টাকা, কিন্তু মালিকরা জমা নেন এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা। এর ফলে চালকরা মিটারে যেতে চান না। এ বিষয়ে আমরা বিআরটিএতে একাধিকবার চিঠি দিয়েছি।’
এসএম/কেএসআর/জেআইএম