আমরা মুখে শুধু বলি নির্বাচন কমিশন ক্ষমতাবান, বাস্তবে কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘সংকটটা এত কঠিন যে সব দায় কমিশনের ওপর দিয়ে লাভ নেই। একের পর এক এমন চলতে থাকলে ইসির মান-মর্যাদা থাকবে না।’
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) নাগরিক সমাজ, সাংবাদিক, অধ্যাপক, নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বসে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা ও পর্যালোচনামূলক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: জামালপুরের ডিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদে ইসির চিঠি
তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, ‘নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টতা পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করবে। আদালতেরও ভূমিকা আছে সংকট নিরসনে।’
ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, ‘বাস্তবতা হলো নির্বাচন ব্যবস্থা বিশ্বাসহীনতায় রয়েছে। একটা ভালো নির্বাচন হলেই যে সব সমস্যা সমাধান হবে তা নয়, তবে ভালো নির্বাচন সমাধানের সূচনা হতে পারে। রাষ্ট্রদূতদের লাই দিতে দিতে বিদেশিদের টেনে আনি, এর ফল কী হয় তা আমরা জানি। আমরা খণ্ডিত অপপ্রচারের শিকার। যেগুলো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয় তা নিয়ে কথা কম বলা ভালো।’
সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান বলেন, ‘বাস্তবতা আপনাদের অনুকূলে নেই। সরকার না চাইলে কমিশনের পক্ষে ভালো নির্বাচন সম্ভব নয়। গাইবান্ধা উপ-নির্বাচনে দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
আরও পড়ুন: সুষ্ঠু নির্বাচনে সরকারের প্রতিশ্রুতিতে আশ্বস্তবোধ করছি: সিইসি
প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ভোটার ও ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন কীভাবে? নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। প্রধান চ্যালেঞ্জ সবাইকে নিয়ে নির্বাচন করা। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতন্ত্র না থাকলে এমন নির্বাচন অর্থহীন।’
জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদ চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, ‘দিনের ভোট দিনে করতে হবে। পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় সকাল ৮টায় ভোট শুরু করতে হবে। দরকার হলে হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে হবে।’
এমওএস/কেএসআর/জিকেএস