ফেসবুকে বহুল আলোচিত সেই জুনায়েদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে এখনও আদালত থেকে অনুমতি পায়নি ধানমন্ডি মডেল থানা পুলিশ। তবে সূত্র বলছে, আগামী ৩১ মার্চ জুনায়েদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ধানমন্ডি থানা পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, তথ্য প্রযুক্তি আইনের যে ধারায় জুনায়েদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে সেই মামলার শুনানি ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হওয়ার কথা। কিন্তু জুনায়েদ জামিন চেয়ে সাইবার ক্রাইম আদালতে আবেদন করে। মামলার নথিপত্র ঠিক করে যথাযথ উপায়ে রিমান্ডে আনার আবেদন জানাতেই কালক্ষেপণ হয়েছে বলেও জানান তারা। এদিকে মামলার মূল আসামি জুনায়েদ ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারে ধানমন্ডি থানা পুলিশের আন্তরিকতা নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন। তারা বলছেন, পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে জুনায়েদ আদালতে আত্মসমর্পণ করার বিষয়টি সন্দেহজনক। জুনায়েদ ছাড়াও নির্যাতনে দৃশ্য ভিডিওতে ধারণকারী যুবককে গ্রেফতার করা হবে বলে দাবি করলেও তাকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। তবে ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. সেলিম হোসেন ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. নুরুল হকের দাবি আত্মসমর্পণের আগ পর্যন্ত জুনায়েদকে ও পরববর্তীতে তার সহযোগীদের গ্রেফতার এবং জুনায়েদকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের ব্যাপারে তাদের আন্তরিকতার বিন্দুমাত্র ঘাটতি ছিল না। প্রসঙ্গত, রাজধানীর ধানমন্ডির অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এ লেভেলের ছাত্র নুরুল্লাহর ওপর উপর্যুপরি নির্যাতন চালিয়ে সেই দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার অপরাধে সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত জুনায়েদ বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছে। গত ২০মার্চ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে জামিন নিতে গেলে আদালতের বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর পর থেকেই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের লক্ষ্যে দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ জুনায়েদকে শিগগিরই রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করবে গণমাধ্যম কর্মীদের জানালেও এখনও পর্যন্ত রিমান্ডে আনতে পারেনি। এমইউ/এসকেডি/পিআর