বয়স হলে শৈশবের স্মৃতি সবাইকে আবেগাপ্লুত করে। শৈশবের সব আবেগময় আনন্দময় দিনগুলো অভিভাবক মহলে ক্ষণিকের জন্য হলেও ফিরিয়ে এনেছে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ হ্যাপিটাইমস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। স্কুলটির ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা স্টেজ পারফরমেন্সের মাধ্যমে শৈশবকেই যেন ফিরিয়ে এনেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর শিশু একাডেমি অডিটোরিয়ামে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটকের আয়োজন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। ছোট শিশুদের নাচ, গান, ও আবৃত্তির মাধ্যমে ফুটে উঠে সৌন্দর্য পিয়াসী সরল শিশু মনের অপার কৌতূহল। যা কোনায় কোনায় খুঁজে বেড়ায় রহস্য আর ঘুরে বেড়ায় রূপকথার বর্ণিল জগতে। অনুষ্ঠানটির শুভ সূচনাকালে প্রতিষ্ঠানটির উপাধ্যক্ষ বাতুল সারোয়ার বলেন, প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে শৈশব বড় একটি অংশ। শৈশব উপভোগ্য। তবে ভবিষ্যতকে অন্ধকার করে নয়। আবার এই শৈশবের পথচলাই শিশুদের ভবিষ্যতের পথকে প্রশস্ত করে দেয়। তাই আমাদের সবারই উচিত শিশুদের মনো জগতকে বোঝা। তাদের শৈশবকালীন সময়কে অভিভাবক হিসেবে আমাদের অধিক গুরুত্ব দিয়ে সময় দেয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিয়ারসন ইডেক্সেলের কান্ট্রি ডিরেক্টর সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৯ সালে পথযাত্রা শুরু করে। এতোদিনের পথচলায় দেশ বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এর অবদান প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। আশা করছি আরো এগিয়ে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।তিনি বলেন, শৈশবের স্মৃতিচারণা কার না ভাল লাগে। আজকে শিশুদের পারফরমেন্স দেখে আবারো শৈশবে ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে।অনুষ্ঠানে ‘Unheard voice’ নামে একটি নাটক প্রদর্শিত হয়। নাটকটিতে জীবন সংগ্রামে লিপ্ত সমাজের দুস্থ মানুষের কষ্ট, সংগ্রাম এবং সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের অবস্থা ও যুদ্ধপীড়িত অবহেলিত শিশুদের কথা।পুরো অনুষ্ঠানটিতে সব শিশুর সম অধিকার, মৌলিক সুবিধা নিয়ে সম্মান ও গর্ব নিয়ে বেঁচে থাকার ও বেড়ে উঠার নিশ্চয়তা লাভে সবার সচেতনতা প্রয়োজন বলে উপস্থাপন করা হয়। জেইউ/জেএইচ/আরআইপি