কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুতের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় চারজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
রেলওয়ের পিডব্লিউ রিটন চাকমা বাদী হয়ে সোমবার (১৮ মার্চ) লাকসাম রেলওয়ে থানায় মামলাটি করেন।
মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) রাতে জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ উল্যাহ বাহার।
তিনি জানান, রেললাইনের ফিশপ্লেট খুলে ফেলায় এই দুর্ঘটনা হয়ে থাকতে পারে এমন ধারণা থেকে মামলাটি করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার সবাই জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার তেলিগ্রামের বাসিন্দা ও মাদরাসাপড়ুয়া ছাত্র।
এর আগে ১৭ মার্চ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে জামালপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয় বিজয় এক্সপ্রেস। দুপুর পৌনে ২টায় নাঙ্গলকোটের হাসানপুরে পৌঁছালে তেজের বাজার এলাকায় বগি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ট্রেনটির ইঞ্জিন। পরে গতি কমে আসা ইঞ্জিনকে পেছন থেকে আবার ধাক্কা দেয় বগিগুলো। এতে ৯টি বগি যাত্রী নিয়ে পড়ে যায় রেললাইনের পাশে। এতে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্মকর্তারা ১৫ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ভোর ৫টায় চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ সচল করেন।
প্রচণ্ড উত্তাপের কারণে রেললাইন বেঁকে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম জানান, তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে আসলে কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
জাহিদ পাটোয়ারী/জেডএইচ